চট্টগ্রাম থেকে তূর্ণা ছাড়তে আড়াই ঘণ্টা দেরি

আজাদী প্রতিবেদন | সোমবার , ১৭ এপ্রিল, ২০২৩ at ৫:৩৮ পূর্বাহ্ণ

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের হাসানপুর স্টেশনে মালবাহী ট্রেনকে ধাক্কা দিয়ে উল্টে যাওয়া সোনার বাংলা এক্সপ্রেস ট্রেনের সাতটি কোচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গতকাল রোববার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এই দুর্ঘটনার কারণে প্রায় আড়াই ঘণ্টা ঢাকা ও সিলেট থেকে চট্টগ্রাম, নোয়াখালী ও চাঁদপুরের ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। এই দুর্ঘটনার ফলে চট্টগ্রামঢাকা রুটের অনেক ট্রেন যাত্রা পথে আটকে থাকে। অনেক ট্রেনের গন্তব্যে পৌঁছতে দেরি হয়।

এই ব্যাপারে চট্টগ্রাম রেল স্টেশনের ম্যানেজার রতন কুমার চৌধুরীর সাথে রাত সাড়ে ১১টায় কথা হলে তিনি আজাদীকে বলেন, চট্টগ্রাম থেকে প্রায় ট্রেন নির্দিষ্ট সময়ে ছেড়ে গেলেও তূর্ণা নিশীথা চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে যেতে প্রায় আড়াই ঘণ্টা বিলম্ব হয়। চট্টলাও একটু দেরি হয়েছে। অন্যান্য ট্রেনগুলো ঠিক সময়ে ছেড়ে গেলেও পথিমধ্যে আটকে ছিল। আড়াই ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল শুরু হলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা ট্রেনগুলো এবং চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনগুলো আস্তে আস্তে গন্তব্যে ছুটে যেতে থাকে। আন্তঃনগর সোনার বাংলা এঙপ্রেস বিকাল ৫টায় চট্টগ্রাম স্টেশন থেকে ছাড়ে। রাত ১২টা ১০ মিনিটে ঢাকার কমলাপুর স্টেশনে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। ট্রেনটি চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় যেতে পাঁচ ঘণ্টা ৪০ মিনিট সময় লাগে। ট্রেনটি চট্টগ্রাম থেকে ছাড়ার পর কেবল ঢাকার বিমানবন্দর স্টেশনে থামে।

তিনি আরও বলেন, সোনার বাংলা এঙপ্রেসের পর ৫টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম থেকে চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় মেঘনা এঙপ্রেস। দুর্ঘটনার কারণে সেটি ফেনীতে আটকা পড়ে। অপরদিকে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা চট্টলা এঙপ্রেস ট্রেন রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে চট্টগ্রাম পৌঁছার কথা থাকলেও সেটি দেরিতে পৌঁছেছে। দুর্ঘটনার কবলে পড়া বগি লাইন থেকে সরানোর পর এ ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার কথা রয়েছে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধআজ সোনার বাংলার যাত্রা বাতিল
পরবর্তী নিবন্ধতীব্র গরমেও মার্কেটে ক্রেতার ঢল