চট্টগ্রাম ট্রাভেল এজেন্সি মালিকদের মানববন্ধন

| রবিবার , ২৩ নভেম্বর, ২০২৫ at ৭:৩৪ পূর্বাহ্ণ

ট্রাভেল এজেন্সীর মালিকদের আহুত মানববন্ধনে বক্তারা সমপ্রতি প্রণীত “ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ খসড়া আইন”এর ওপর গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এতোদিন যাবৎ সুনির্দিষ্ট নিতিমালার আলোকে ট্রাভেল এজেন্সীর মালিকদের একক সংগঠন আটাব ও মন্ত্রাণালয়ের সমাযোতার মাধ্যমে সুন্দর ভাবে ব্যাবসা চালিয়ে এসেছে আটাব সদস্যরা, কিন্তু হঠাৎ করে অধ্যাদেশ ২০২৫ জারি করে ট্রাভেল এজেন্সী ব্যবসা ও পর্যটন খাতকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে মন্ত্রাণালয়, প্রস্তাবিত এই খসড়া আইনে কিছু ধারা রয়েছে যা দেশের ট্রাভেল ট্রেডের জন্য চরম ক্ষতিকর। বিশেষ করে অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির জন্য ১০ লক্ষ টাকা জামানতের প্রস্তাব, এক এজেন্সির সাথে অন্য এজেন্সির ক্রয়বিক্রয় নিষিদ্ধ করা এবং জেলজরিমানা বৃদ্ধির প্রস্তাব সবকিছুই অযৌক্তিক, অবাস্তব ও ব্যবসাবান্ধব নয়, বাংলাদেশের ট্রাভেল ও ট্যুরিজম খাত ইতিমধ্যেই কঠিন সময় অতিক্রম করছে। এই পরিস্থিতিতে নতুন আইন দিয়ে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার মতো ধারা প্রণয়ন করা হলে লাখো মানুষের জীবিকা হুমকির মুখে পড়বে।

গতকাল শনিবার বেলা ১১টায় ট্রাভেলস্‌ এজেন্সীর মালিকবৃন্দ চট্টগ্রামের উদ্যোগে প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন আটাবের সাবেক ইভিপি এইচ এম মুজিবুল হক শাকুর। এতে বক্তব্য রাখেন মুহাম্মদ ইদ্রিস মিয়া, আবু তাহের, শরিয়ত উল্ল্যা শহিদ, আজাহারুল ইসলাম চৌধুরী, আব্দুল খালেক, আবদুল মালেক, ওসমান গনী, এস এম মাসুদ, ওসমান গনী, আব্দুর রহমান, মোহাম্মদ রফিক, হেমায়েত উদ্দীন, গিয়াস উদ্দীন, মোহাম্মদ ইসমাইল, আবু তাহের, নাসির উদ্দীন, আবু বক্কর তালুকদার, আব্দুল মান্নান, এম এইচ মহিউদ্দীন, মাসুদ করিম, ফারুক আহমদ প্রমুখ।

এতে চট্টগ্রামের প্রায় দুই শত এজেন্সীর মালিক মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা বলেন, আগামী ডিসেম্বর বেশীরভাগ এজেন্সীর হালনাগাদ নবায়নের মেয়াদ শেষ হবে। নবায়নের জন্য জমাকৃত সকল এজেন্সীর হালনাগাদ নবায়নের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য তারা অবৈধ অনিবন্ধিত ট্রাভেল এজেন্সী বন্ধে সরকার ও কতৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধচট্টগ্রাম সমিতি-ঢাকা’র নির্বাহী পরিষদের শপথ গ্রহণ
পরবর্তী নিবন্ধদেশ বাঁচাতে ও দেশ গড়তে ধানের শীষে ভোট দিন