ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্রসহ ২৫ রাজনৈতিক দলের ৭৮ জন প্রার্থী তাদের জামানত রক্ষা করতে পারেননি। চট্টগ্রামে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ১১৫ জন প্রার্থী। চট্টগ্রামে তিন রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ঘোষিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, চট্টগ্রামের ১৬ আসনের মধ্যে ১৪ আসনে বিএনপি এবং ২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। ফলাফলে দেখা গেছে, ৭৮ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
চট্টগ্রামের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসাইন গতকাল আজাদীকে জানান, গণ প্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪১ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো আসনে প্রদত্ত ভোটের এক অষ্টমাংশ কোনো প্রার্থী না পেলে তার নির্বাচনী জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সে হিসেবে এবার চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনে অনেকের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। তাদের এ জামানতের টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হবে। চট্টগ্রামের তিনজন রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে পূর্ণাঙ্গ ফল ঘোষণা করা হয়েছে গতকাল শুক্রবার।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, চট্টগ্রাম–১ (মীরাসরাই) আসনে মোট প্রার্থী ছিলেন সাতজন। ভোট পড়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১২০টি। সে হিসেবে জামানত ফিরে পেতে আসনটিতে সর্বনিম্ন ২৮ হাজার ১৫টি ভোটের প্রয়োজন ছিল। আসনটিতে জয়ী বিএনপি প্রার্থী নুরুল আমিন ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান ছাড়া পাঁচজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। যাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তারা হলেন–জাতীয় পার্টির সৈয়দ শাহাদাৎ হোসেন (লাঙ্গল), মুসলিম লীগের শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী (হাতপাঞ্জা), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) একেএম আবু ইউছুপ (তারা), ইনসানিয়াত বিপ্লবের রেজাউল করিম (আপেল), ইসলামী আন্দোলনের ফেরদৌস আহমদ চৌধুরী (হাতপাখা)।
চট্টগ্রাম–২ ফটিকছড়ি আসনে জামানত হারিয়েছেন ৬ জন। বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টির শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ (একতারা), জনতার দলের মোহাম্মদ গোলাম নওশের আলী (কলম), স্বতন্ত্র প্রার্থী জিন্নাত আকতার (হরিণ), স্বতন্ত্র প্রার্থী আহমদ কবির (ফুটবল), গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী রবিউল হাসান (ট্রাক) ও ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ জুলফিকার আলী মান্নান (হাতপাখা)।
চট্টগ্রাম–৩ (সন্দ্বীপ) আসনে ভোট পড়েছে ১ লাখ ২০ হাজার ৯৩৪টি। সেখানে জামানত ফিরে পেতে প্রার্থীর অন্তত ১৫ হাজার ১১৬ ভোট পাওয়ার প্রয়োজন ছিল। চার প্রার্থীর মধ্যে বিজয়ী বিএনপির মোস্তফা কামাল পাশা এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আলাউদ্দীন ছাড়া অপর দুইজন তাদের জামানত হারাচ্ছেন। তারা হলেন–স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোয়াহেদুল মাওলা (ফুটবল) ও ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন।
চট্টগ্রাম–৪ (সীতাকুন্ড ও চসিক একাংশ) আসনে ৭ প্রার্থী তাদের জামানত রক্ষা করতে পারেননি। তারা হলেন– সুপ্রীম পার্টির মো. শহীদুল ইসলাম চৌধুরী (একতারা), কমিউনিস্ট পার্টির মো. মছিউদৌলা (কাস্তে), গণসংহতি আন্দোলনের জাহিদুল আলম (মাথাল), নেজামে ইসলাম পার্টির মো. জাকারিয়া খালেদ (বই), ইসলামী আন্দোলনের মো. দিদারুল মাওলা (হাতপাখা), গণঅধিকার পরিষদের এটিএম পারভেজ (ট্রাক) ও ইসলামী ফ্রন্টের মো. সিরাজুদ্দৌলা (মোমবাতি)।
চট্টগ্রাম–৫ আসনে মোট প্রার্থী ছিলেন ছয়জন। এ আসনে প্রদত্ত ভোট ২ লাখ ১৮ হাজার ৬১৬। সে হিসেবে জামানত ফিরে পেতে প্রার্থীর কমপক্ষে ২৭ হাজার ৩২৭ ভোট পাওয়ার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু বিজয়ী প্রার্থী বিএনপির মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন ও ১১ দলীয় জোট প্রার্থী খেলাফত মজলিসের মো. নাসির উদ্দীন ছাড়া অপর চার প্রার্থীর জামানত বাতিল হচ্ছে। যাদের জামানত বাতিল হচ্ছে তারা হলেন– বাংলাদেশ লেবার পার্টির মো. আলা উদ্দিন (আনারস), স্বতন্ত্র মোহাম্মদ ইমাম উদ্দিন রিয়াদ (ফুটবল), ইসলামী আন্দোলনের মতি উল্লাহ নূরী (হাতপাখা), ইসলামিক ফ্রন্টের মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম (চেয়ার)।
চট্টগ্রাম–৬ আসনে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭৭১ টি। ফলে জামানত ফিরে পেতে সর্বনিম্ন ২০ হাজার ৮৪৬ ভোটের দরকার। সেখানে চার প্রার্থীর মধ্যে তিনজনই তার বেশি ভোট পাওয়ায় এক জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তিনি হলেন–গণসংহতি আন্দোলনের নাছির উদ্দীন তালুকদার (মাথাল)।
চট্টগ্রাম–৭ আসনে প্রার্থী ছিলেন আট জন। প্রদত্ত ভোট ১ লাখ ৭৯ হাজার ৫৮৬টি। ফলে প্রার্থীর জামানত ফিরে পেতে প্রয়োজন ছিল অন্তত ২২ হাজার ৪৪৮টি ভোটের। আসনটিতে বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী হুমাম কাদের চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামীর এটিএম রেজাউল করিম ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মুহাম্মদ ইকবাল হাছান ছাড়া অপর পাঁচ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। যারা জামানত হারাচ্ছেন তারা হলেন–জাতীয় পার্টির মো. মেহেদী রাসেদ (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলনের আবদুল্লাহ আল হারুন (হাতপাখা), আমার বাংলাদেশ পার্টির আব্দুর রহমান (ঈগল), গণঅধিকার পরিষদের মো. বেলাল উদ্দীন (ট্রাক) ও কমিউনিস্ট পার্টির প্রমোদ বরণ বড়ুয়া (কাস্তে)।
চট্টগ্রাম–৮ আসনের ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৯ জন। চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোটার এখানে। এবার ভোট পড়েছে ২ লাখ ৬০ হাজার ৯৫৮টি। সে হিসেবে প্রার্থীর জামানত ফিরে পেতে প্রয়োজন কমপক্ষে ৩২ হাজার ৬১৯ ভোট। এ আসনে মোট ছয়জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
নির্বাচনে বিএনপি–জামায়াত ও ইসলামী ফ্রন্টের ত্রিমুখী লড়াই হয়েছে। বিজয়ী প্রার্থী বিএনপির এরশাদ উল্লাহ’র নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতের প্রার্থী ডা. আবু নাছের। এছাড়াও ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ মুহাম্মদ হাসান তার জামানত রক্ষা করতে পেরেছেন। এছাড়া অন্য তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন, এনসিপির মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ (শাপলা কলি), ইনসানিয়াত বিপ্লবের মোহাম্মদ এমদাদুল হক (আপেল) ও ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ নুরুল আলম (হাতপাখা)।
চট্টগ্রাম–৯ আসনে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৯৪৪টি। জামানত ফিরে পেতে প্রার্থীদের অন্তত ২১ হাজার ৮৬৮ ভোটের প্রয়োজন ছিল। আসনটিতে ১০ প্রার্থীর মধ্যে বিজয়ী প্রার্থী বিএনপি আবু সুফিয়ানের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ডা. একেএম ফজলুল হক ছাড়া আট প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন– নাগরিক ঐক্যের মো. নুরুল আবছার মজুমদার (কেটলি), জনতার দলের মো. হায়দার আলী চৌধুরী (কলম), গণসংহতি আন্দোলনের সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারুফ (মাথাল), সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) মো. শফি উদ্দিন কবির (কাঁচি), ইনসানিয়াত বিপ্লবের মোহাম্মদ নঈম উদ্দীন (আপেল), ইসলামী আন্দোলনের আব্দুস শুক্কুর (হাতপাখা), জাতীয় সামজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) আবদুল মোমেন চৌধুরী (তারা) ও ইসলামিক ফ্রন্টের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ (চেয়ার)।
চট্টগ্রাম– ১০ আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ১৪ হাজার ১৫৪টি। জামানত ফিরে পেতে প্রয়োজন ছিল অন্তত ২৬ হাজার ৭৬৯ ভোট। আসনটিতে বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আল নোমান ও জামায়াতে ইসলামীর শামসুজ্জামন হেলালী ছাড়া অপর সাত প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন– ইসলামী আন্দোলনের মুহাম্মদ জান্নাতুল ইসলাম (হাতপাখা), ইসলামিক ফ্রন্টের মো. লিয়াকত আলী (চেয়ার), সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) আসমা আকতার (কাঁচি), ইসলামিক ইনসানিয়াত বিপ্লবের সাবিনা খাতুন (আপেল), স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আরমান আলী (ফুটবল), জাতীয় পার্টির মুহাম্মদ এমদাদ হোসাইন চৌধুরী (লাঙ্গল) ও লেবার পার্টির মো. ওসমান গণি (আনারস)।
চট্টগ্রাম–১১ আসনে চট্টগ্রাম বন্দর ও দুটি ইপিজেডের অবস্থান। এ আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৬৬ হাজার ৮২টি। সেই হিসেবে জামানত ফেরৎ পেতে প্রার্থীদের প্রয়োজন ছিল ২৫ হাজার ৮৩৫ ভোট। তবে আসনটির ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে জয়ী বিএনপি প্রার্থী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোহাম্মদ শফিউল আলম ছাড়া অপর নয় জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
তারা হলেন ইসলামিক ফ্রন্টের মুহাম্মদ আবু তাহের (চেয়ার), আবু তাহের (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলনের মো. নুর উদ্দিন (হাতপাখা), সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) দীপা মজুমদার (কাঁচি), গণফোরামের উজ্জল ভৌমিক (উদীয়মান সূর্য), সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) মো. নিজামুল হক আল কাদেরী (মই), ইনসানিয়াত বিপ্লবের মো. আজিজ মিয়া (আপেল), গণঅধিকার পরিষদের মুহাম্মদ নেজাম উদ্দিন (ট্রাক) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া (সূর্যমুখী ফুল)।
চট্টগ্রাম–১২ আসনে বিএনপি প্রার্থী এনামুল হক জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের ছৈয়দ এয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু। এই আসনে মোট প্রার্থী ছিলেন আট জন। ভোট পড়েছে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৪৯৩টি। ফলে জামানত ফিরে পেতে প্রার্থীদের প্রয়োজন ছিল অন্তত ২৪ হাজার ১৮৬ ভোট। আসনটিতে জামায়াত প্রার্থী পেয়েছেন ২১ হাজার ৭০৬ ভোট। তিনিসহ মোট ছয় জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন–এলডিপির এম. এয়াকুব আলী, (ছাতা), ইসলামী আন্দোলনের এসএম বেলাল নূর (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির ফরিদ আহমদ চৌধুরী (লাঙ্গল), ইনসানিয়াত বিপ্লবের মোহাম্মদ আবু তালেব হেলালী (আপেল) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ শাখাওয়াত হোসাাইন (ফুটবল)।
চট্টগ্রাম–১৩ আসনে ভোট পড়েছে ২ লাখ ২১ হাজার ৩৫টি। সে হিসেবে জামানত ফিরে পেতে প্রয়োজন ছিল ২৭ হাজার ৬২৯ ভোটের। আসনটিতে সাত প্রার্থীর মধ্যে বিজয়ী প্রার্থী বিএনপির সরওয়ার জামাল নিজাম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী ফ্রন্টের এসএম শাহাজাহান এবং জামায়াতে ইসলামীর মাহমুদুল হাসান ছাড়া অপর চার প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন–গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) মোহাম্মদ এমরান (সিংহ), ইনসানিয়াত বিপ্লবের মু. রেজাউল মোস্তফা (আপেল), জাতীয় পার্টির আবদুর রব চৌধুরী (লাঙ্গল), গণধিকার পরিষদের মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী (ট্রাক)।
চট্টগ্রাম–১৪ আসনে মোট প্রার্থী ছিলেন আট জন। ভোট পড়েছে ১ লাখ ৮৬ হাজার ২৯০টি। সে হিসেবে প্রার্থীদের জামানত ফিরে পেতে প্রয়োজন ছিল অন্তত ২৩ হাজার ২৮৬ ভোটের।
এ আসনে বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী জসীম উদ্দিন ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এলডিপির ওমর ফারুক ছাড়া অপর ছয় জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন–ইসলামী ফ্রন্টের মৌ. মো. সোলাইমান (মোমবাতি), জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ বাদশা মিয়া (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আবদুল হামিদ (হাতপাখা), স্বতন্ত্র শফিকুল ইসলাম রাহী (মোটর সাইকেল), মোহাম্মদ মিজানুল হক চৌধুরী (ফুটবল), ইনসানিয়াত বিপ্লবের এইচএম ইলিয়াছ (আপেল)।
চট্টগ্রাম ১৫ আসনে মোট প্রার্থী ছিলেন তিন জন। সেখানে মোট ভোট পড়েছে ৩ লাখ ২০ হাজার ৫১১টি। জামানত ফিরে পেতে প্রয়োজন ছিল ৪০ হাজারের বেশি ভোটের। আসনটিতে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির নাজমুল মোস্তফা আমীন। এ আসনটিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শরীফুল আলম চৌধুরীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
চট্টগ্রাম–১৬ আসনে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী মিশকাতুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র লেয়াকত আলী ছাড়া অপর চার প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন– ইসলামিক ফ্রন্টের আবদুল মালেক (চেয়ার), মুসলিম লীগের এহছানুল হক (হারিকেন), ইসলামী আন্দোলনের হাফেজ রুহুল্লাহ (হাতপাখা) ও গণঅধিকার পরিষদের আরিফুল হক (ট্রাক)।












