ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রতীক পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ‘ফুটবল’। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের আস্থা যেন ফুটবলেই। চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় দেখা গেছে, ৮ আসনে ১০ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে ৭ জনই লড়ছেন ফুটবল প্রতীক নিয়ে। চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনে প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন ১১৪জন প্রার্থী। এরমধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ১০জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার প্রতীক বরাদ্দের দিন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রায় সবাই ফুটবল প্রতীক দাবি করেছিলেন। এরমধ্যে ৭ জন প্রার্থী ফুটবল নিয়ে নির্বাচনী মাঠে লড়ছেন।
ফুটবল নিয়ে ৮ আসনে যারা লড়ছেন : চট্টগ্রাম–২ (ফটিকছড়ি) আসনে দুইজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে আহমদ কবির প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ফুটবল প্রতীক নিয়ে। চট্টগ্রাম–৩ (সন্দ্বীপ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোয়াহেদুল মাওলা লড়ছেন ফুটবল প্রতীক নিয়ে।
চট্টগ্রাম–৫ (হাটহাজারী ও চসিক একাংশ) আসনে স্বতন্ত্র মোহাম্মদ ইমাম উদ্দিন রিয়াদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ফুটবল প্রতীক নিয়ে।
চট্টগ্রাম–১০ (পাহাড়তলী–ডবলমুরিং–হালিশহর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আরমান আলী ফুটবল প্রতীকে লড়ছেন নির্বাচনী মাঠে। চট্টগ্রাম–১২ (পটিয়া) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ শাখাওয়াত হোসাইন ফুটবল প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
চট্টগ্রাম–১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া আংশিক) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি মোহাম্মদ মিজানুল হক চৌধুরীর নির্বাচনী প্রতীকও ফুটবল।
চট্টগ্রাম–১৬ (বাঁশখালী) আসনের স্বতন্ত্র মোহাম্মদ লেয়াকত আলী–ফুটবল প্রতীকে মাঠে লড়ছেন।
এদিকে চট্টগ্রাম–২ (ফটিকছড়ি) আসনের অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী জিন্নাত আকতার লড়ছেন হরিণ প্রতীকে। চট্টগ্রাম–১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া আংশিক) আসনের অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম রাহী মোটর সাইকেল প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। চট্টগ্রাম–১১ (বন্দর–পতেঙ্গা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া–সূর্যমুখী ফুল।
প্রার্থীরা গত ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন যা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৬৬ লাখ ৮২ হাজার ৫১৭জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ৩৪ লাখ ৮৩ হাজার ৮৭৭জন এবং মহিলা ভোটার সংখ্যা ৩১ লাখ ৯৮ হাজার ৫৭০জন। এবার তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৭০ জন।












