করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে চট্টগ্রামে করোনা টিকার বুস্টার (তৃতীয়) ডোজ ক্যাম্পেইনে গতকাল চট্টগ্রামে প্রতিষেধক নিয়েছেন ১ লাখ ৮১ হাজার ১৮৭ জন মানুষ। এর মধ্যে নগরে দিয়েছেন ৩৯৮৭৮ জন নারী-পুরুষ। ১৪ উপজেলায় ১ লাখ ৪১ হাজার ৩০৯ জন টিকা দিয়েছেন। তবে ক্যাম্পেইনের আওতায় মহানগরসহ জেলায় মোট ৩ লাখ ৬২ হাজার টিকা গ্রহীতাকে বুস্টার ডোজের আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল স্বাস্থ্য বিভাগ।
এদিকে বুস্টার ডোজ দেয়ার জন্য নগরীর ৪১ ওয়ার্ডে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয় স্বাস্থ্য প্রশাসন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে সকাল ৯টা থেকে সারা দিন টিকা প্রদান করেছে। একই সাথে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালেও গণ বুস্টার ডোজের টিকা প্রদান করা হয়। টিকা কেন্দ্রে ভিড় না থাকায় স্বস্তি প্রকাশ করে সাধারণ মানুষ।
অনেকে দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণের প্রমাণপত্র (কার্ড, ফরম) ছাড়াই টিকা নিতে এসেছেন। স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগিতায় তারাও টিকা নিতে পেরেছেন। গতকাল নগরের ৮২টি কেন্দ্রে একযোগে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। ৪১টি ওয়ার্ডের প্রতিটিতে ২টি করে কেন্দ্র ভাগ করে টিকাদান কার্যক্রম চলে। প্রতিটি ওয়ার্ডে ১০০০ ও কেন্দ্রে ৫০০ করে বুস্টার ডোজ প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে চসিক। চসিকের জন্য মোট বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৪৭ হাজার টিকা। তবে গতকাল ৩৯,৮৭৮ জন নারী-পুরুষ টিকা নিয়েছেন।
এছাড়া জেলার ১৫টি উপজেলার ২০০টি ইউনিয়নের ৬০০ ওয়ার্ডের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫০০টি করে ৩ লাখ বুস্টার ডোজ প্রদান করা হচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ হাজার ৫০০ করে ২১ হাজার টিকা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আঠারো বছরের বেশি ২য় ডোজ নেওয়া যে কেউ চার মাস পূর্ণ হলে বুস্টার ডোজ নিতে পেরেছেন।












