চট্টগ্রামে ভোটের মাঠে প্রার্থী ১১১ জন

প্রতীক বরাদ্দ আজ, আনুষ্ঠানিক প্রচারণা কাল থেকে

আজাদী প্রতিবেদন | বুধবার , ২১ জানুয়ারি, ২০২৬ at ৬:২৮ পূর্বাহ্ণ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গতকাল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে চট্টগ্রামে ১২ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। প্রত্যাহার শেষে এখন চট্টগ্রামে ১৬ সংসদীয় আসনে ১১১ জন চূড়ান্ত প্রার্থী ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। তাদের মাঝে আজ প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে। প্রতীক পাওয়ার পর আগামীকাল ২২ জানুয়ারি থেকে প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিক প্রচারপ্রচারণা শুরু হবে। এটা চলবে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত।

গতকাল সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চট্টগ্রামের ১৬ আসনের মোট ১২ জন প্রার্থী চট্টগ্রামের তিন রিটার্নিং অফিসার চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং চট্টগ্রামের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরীর কার্যালয়ে গিয়ে তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন।

১২ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার : গতকাল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে চট্টগ্রামে ১২ প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। এর মধ্যে চট্টগ্রাম৬ রাউজান আসনে বিএনপির দ্বৈত প্রার্থীর মধ্যে গোলাম আকবর খোন্দকার তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। তবে জামায়াতে ইসলামীসহ ১০ দলীয় জোটের আসন সমঝোতায় চট্টগ্রামে জোটের শরিকদের ছেড়ে দেয়া ৬টি আসনের মধ্যে ৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি। এর মধ্যে চট্টগ্রাম৯ কোতোয়ালী আসনে এবং চট্টগ্রাম১৩ আনোয়ারাকর্ণফুলী আসনে জোটের শরিক দলের প্রার্থীরা তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন।

চট্টগ্রাম১৩ আনোয়ারাকর্ণফুলী আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহারের পর মুফতি মোহাম্মদ ইমরান ইসলামাবাদী বলেন, জোট আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে। তারপরও ভোটের মাঠে আমরা জামায়াত প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি। আমরা ইসলামপন্থী দল। আমরা একসাথে জোটের প্রার্থীর জন্য কাজ করব। ইনশাআল্লাহ আগামী ১২ তারিখ এই আসনসহ ১০ দলীয় জোট বিজয় লাভ করবে।

চট্টগ্রাম২ ফটিকছড়ি আসনে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মো. ওসমান আলী এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের এইচএম আশরাফ বিন ইয়াকুব মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। চট্টগ্রাম৫ হাটহাজারী আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ মোক্তার আহমেদ, চট্টগ্রাম৭ রাঙ্গুনিয়া আসনে খেলাফত মজলিসের মো. আবুল কালাম, চট্টগ্রাম৮ বোয়ালখালীচান্দগাঁও আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ এনায়েত উল্লাহ এবং চট্টগ্রাম৯ কোতোয়ালী আসনে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মো. নেজাম উদ্দীন মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন।

চট্টগ্রাম১১ বন্দরপতেঙ্গা আসনে আমার বাংলাদেশ পার্টির মোহাম্মদ লোকমান, চট্টগ্রাম১২ পটিয়া আসনে গণঅধিকার পরিষদের এমদাদুল হাসান এবং চট্টগ্রাম১৩ আনোয়ারাকর্ণফুলী আসনে খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ ইমরান মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। চট্টগ্রাম১৬ বাঁশখালী আসনে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টিএলডিপির মো. কফিল উদ্দিন চৌধুরী এবং বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মুহাম্মদ মুসা মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। অন্যদিকে চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম১০, চট্টগ্রাম১৪ ও চট্টগ্রাম১৫ আসনে কোনো প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি।

নগরীর তিনটি সংসদীয় আসন এবং নগরীর সাথে সংশ্লিষ্ট আরো দুটিসহ মোট ৫টি আসনের রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন। জেলার ১০ আসনের রিটার্নিং অফিসার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। এছাড়া চট্টগ্রাম১১ বন্দরপতেঙ্গা আসনের রিটার্নিং অফিসার চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরী।

চট্টগ্রামের ১৬ আসনে ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্রসহ মোট ১৪৩ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছিলেন। মনোনয়নপত্র বাছাইকালে নানা ত্রুটির কারণে রিটার্নিং অফিসারগণ ৪২ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। বাছাইকালে রিটার্নিং অফিসার ১০১ জন প্রার্থীকে বৈধ ঘোষণা করেন। যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে তাদের মধ্যে অনেকে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন। এর মধ্যে ২০ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। হাই কোর্ট থেকে প্রার্থিতা ফিরে পান দুজন। গতকাল ১২ প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করায় চট্টগ্রামে ১৬ আসনে এখন বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ১১১ জন।

আসনভিত্তিক প্রার্থীরা : চট্টগ্রাম(মীরসরাই) আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৭ জন। তারা হলেন বিএনপির নুরুল আমিন, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান, জাতীয় পার্টির সৈয়দ শাহাদাৎ হোসেন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলজেএসডির একেএম আবু ইউছুপ, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের রেজাউল করিম ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফেরদৌস আহমদ চৌধুরী।

চট্টগ্রাম(ফটিকছড়ি) আসনে প্রার্থীর সংখ্যা ৭ জন। তারা হলেন জামায়াতের ইসলামীর মোহাম্মদ নুরুল আমিন, জনতার দলের মোহাম্মদ গোলাম নওশের আলী, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মো. জুলফিকার আলী মান্নান, স্বতন্ত্র জিন্নাত আকতার ও আহমদ কবির, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী রবিউল হাসান।

চট্টগ্রাম(সন্দ্বীপ) আসনে প্রার্থীর সংখ্যা ৪ জন। তারা হলেন বিএনপির মোস্তফা কামাল পাশা, জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আলাউদ্দীন, স্বতন্ত্র মোয়াহেদুল মাওলা ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন।

চট্টগ্রাম(সীতাকুণ্ড ও চসিক একাংশ) আসনে প্রার্থীর সংখ্যা ৯ জন। প্রার্থীরা হলেন বিএনপির মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর মো. আনোয়ার ছিদ্দিক, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) মো. শহীদুল ইসলাম চৌধুরী, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির মো. মছিউদৌলা, গণসংগতি আন্দোলনের জাহিদুল আলম, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মো. জাকারিয়া খালেদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. দিদারুল মাওলা, গণঅধিকার পরিষদের এটিএম পারভেজ ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. সিরাজুদ্দৌলা।

চট্টগ্রাম(হাটহাজারী ও চসিক একাংশ) আসনে প্রার্থীর সংখ্যা ৬ জন। তারা হলেন বিএনপির মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মো. আলাউদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মতি উল্লাহ নূরী, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. নাসির উদ্দীন এবং স্বতন্ত্র মোহাম্মদ ইমাম উদ্দিন রিয়াদ।

চট্টগ্রাম(রাউজান) আসনে প্রার্থীর সংখ্যা ৪ জন। প্রার্থীরা হলেন বিএনপির গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামীর মো. শাহজাহান মঞ্জু, গণসংহতি সমিতির নাছির উদ্দীন তালুকদার এবং বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মোহাম্মদ ইলিয়াছ নূরী।

চট্টগ্রাম(রাঙ্গুনিয়া) আসনে প্রার্থীর সংখ্যা ৮ জন। তারা হলেন বিএনপির হুমাম কাদের চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামীর এটিএম রেজাউল করিম, জাতীয় পার্টির মো. মেহেদী রাসেদ, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মুহাম্মদ ইকবাল হাছান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুল্লাহ আল হারুন, আমার বাংলাদেশ পার্টির আব্দুর রহমান, গণঅধিকারের মো. বেলাল উদ্দীন এবং বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রমোদ বরণ বড়ুয়া।

চট্টগ্রাম(বোয়ালখালী ও চসিক একাংশ) আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৬ জন। তারা হলেন বিএনপির এরশাদ উল্লাহ, এনসিপির মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ, জামায়াতে ইসলামীর মো. আবু নাছের, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মোহাম্মদ এমদাদুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ নুরুল আলম ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ মুহাম্মদ হাসান।

চট্টগ্রাম(কোতোয়ালী) আসনে প্রার্থীর সংখ্যা ১০ জন। তারা হলেন বিএনপির মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, জামায়াতে ইসলামীর ডা. একেএম ফজলুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারুফ, নাগরিক ঐক্যের মো. নুরুল আবছার মজুমদার, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মো. শফি উদ্দিন কবির, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ মোহাম্মদ নঈম উদ্দীন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুস শুক্কুর, জনতার দলের মো. হায়দার আলী চৌধুরী ও জাতীয় সামজতান্ত্রিক দলজেএসডির আবদুল মোমেন চৌধুরী।

চট্টগ্রাম১০ (পাহাড়তলীডবলমুরিংহালিশহর) আসনে প্রার্থীর সংখ্যা ৯ জন। তারা হলেন বিএনপির সাঈদ আল নোমান, জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ শামসুজ্জামান হেলালী, জাতীয় পার্টির মুহাম্মদ এমদাদ হোসাইন চৌধুরী, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) আসমা আকতার, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. লিয়াকত আলী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুহাম্মদ জান্নাতুল ইসলাম, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের সাবিনা খাতুন, স্বতন্ত্র মোহাম্মদ আরমান আলী ও লেবার পার্টির মো. ওসমান গণি।

চট্টগ্রাম১১ (বন্দরপতেঙ্গা) আসনে প্রার্থীর সংখ্যা ১০ জন। তারা হলেন বিএনপির আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ শফিউল আলম, জাতীয় পার্টির আবু তাহের, বাসদের (মার্কসবাদী) দীপা মজুমদার, গণফোরামের উজ্জ্বল ভৌমিক, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ আবু তাহের, বাসদের মো. নিজামুল হক আল কাদেরী, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. আজিজ মিয়া, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. নুর উদ্দিন ও স্বতন্ত্র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া।

চট্টগ্রাম১২ (পটিয়া) আসনে প্রার্থীর সংখ্যা ৭ জন। তারা হলেন বিএনপির মোহাম্মদ এনামুল হক, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ফরিদুল আলম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এসএম বেলাল নূর, জাতীয় পার্টির ফরিদ আহমদ চৌধুরী, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মোহাম্মদ আবু তালেব হেলালী, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের ছৈয়দ এয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু ও স্বতন্ত্র মুহাম্মদ শাখাওয়াত হোসাাইন।

চট্টগ্রাম১৩ (আনোয়ারাকর্ণফুলী) আসনে প্রার্থীর সংখ্যা ৬ জন। তারা হলেন বিএনপির সরোয়ার জামাল নিজাম, জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনএনডিএমের মোহাম্মদ এমরান, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এসএম শাহজাহান, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মু. রেজাউল মোস্তফা ও জাতীয় পার্টির আবদুর রব চৌধুরী।

চট্টগ্রাম১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া আংশিক) আসনে প্রার্থীর সংখ্যা ৮ জন। তারা হলেন বিএনপির জসীম উদ্দীন আহমেদ, এলডিপির ওমর ফারুক, জাতীয় পার্টির বাদশা মিয়া, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মৌ. মো. সোলাইমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আবদুল হামিদ, স্বতন্ত্র দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মোহাম্মদ মিজানুল হক চৌধুরী, স্বতন্ত্র শফিকুল ইসলাম রাহী ও ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের এইচএম ইলিয়াছ।

চট্টগ্রাম১৫ (সাতকানিয়ালোহাগাড়া) আসনে ৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। তিনজনই বৈধ হয়েছেন। তারা হলেন জামায়াতে ইসলামীর শাহজাহান চৌধুরী, বিএনপির নাজমুল মোস্তফা আমীন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শরীফুল আলম চৌধুরী।

চট্টগ্রাম১৬ (বাঁশখালী) আসনে প্রার্থীর সংখ্যা ৭ জন। তারা হলেন বিএনপির মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের আব্দুল মালেক, স্বতন্ত্র মোহাম্মদ লেয়াকত আলী, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের এহছানুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ রুহুল্লাহ ও গণঅধিকার পরিষদের আরিফুল হক।

পূর্ববর্তী নিবন্ধজঙ্গল সলিমপুরে আতংক, বন্ধ ছিল অধিকাংশ দোকান
পরবর্তী নিবন্ধনির্বাচনের আগে দ্রুত লুটের অস্ত্র উদ্ধারের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার