চট্টগ্রামে টানা ৩য় বার আইএসও এক্রিডিটেশন অর্জনকারী একমাত্র প্রতিষ্ঠান এপিক হেলথ কেয়ার

| বুধবার , ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ at ১০:৪১ অপরাহ্ণ

স্বাস্থ্যসেবায় আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে ধারাবাহিক উৎকর্ষতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এপিক হেলথ কেয়ার।

ঢাকার বাইরে এপিক হেলথ কেয়ার-ই একমাত্র প্রতিষ্ঠান, যা টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিওএইচও) স্বীকৃত আইএসও ১৫১৮৯ এক্রিডিটেশন সনদ অর্জন করেছে। এর আগে প্রতিষ্ঠানটি প্রথমবার ২০১৯ সালে এবং দ্বিতীয়বার ২০২২ সালে আইএসও এক্রিডিটেশন সনদ অর্জন করে। সর্বশেষ ২০২৫-২০২৮ সালের জন্য প্রাপ্ত তৃতীয় মেয়াদের এক্রিডিটেশন সনদ আনুষ্ঠানিকভাবে গতকাল হস্তান্তর করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সনদ হস্তান্তর করেন বাংলাদেশ এক্রিডিটেশন বোর্ড-এর মহাপরিচালক জনাব মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। এপিক হেলথ কেয়ারের পক্ষে সনদ গ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার এস এম আবু সুফিয়ান।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ এক্রিডিটেশন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দসহ এপিক হেলথ কেয়ারের ডিজিএম (অপারেশন্স) ডাঃ সোমেন পালিত, এজিএম (মেডিকেল সার্ভিসেস) ডাঃ হামিদ হোছাইন আজাদ এবং ল্যাব ইনচার্জ মোঃ আবু নাছিম নিজামী।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এপিক হেলথ কেয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার এস এম আবু সুফিয়ান বলেন, “এক সময় বিদেশে চিকিৎসা কিংবা কর্মসংস্থানের প্রয়োজনে গেলে বাংলাদেশের মেডিকেল টেস্ট রিপোর্ট খুব একটা গ্রহণযোগ্যতা পেত না। আইএসও এক্রিডিটেশনের ফলে আজ সেই চিত্র বদলাচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী মেডিকেল ল্যাবরেটরি পরিচালনার মাধ্যমে বাংলাদেশের মেডিকেল টেস্ট রিপোর্টের গ্রহণযোগ্যতা এখন বিশ্বব্যাপী বাড়ছে। এই অর্জনকে আরও বহুদূর নিয়ে যেতে হবে, যাতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যসেবার মানচিত্রে আরও দৃঢ়ভাবে অবস্থান নিতে পারে”।

এপিক হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার এস এম লোকমান কবির এই অর্জন সম্পর্কে বলেন, টানা তৃতীয়বার আইএসও এক্রিডিটেশন সনদ অর্জন এপিক হেলথ কেয়ারের প্রতি রোগী ও সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতিফলন। এই স্বীকৃতি প্রতিষ্ঠানটির মান নিয়ন্ত্রণ, রোগী নিরাপত্তা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং দক্ষ জনবলের নিরলস পরিশ্রমের ফল।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, চট্টগ্রামে একমাত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে টানা তিনবার আইএসও এক্রিডিটেশন অর্জন এপিক হেলথ কেয়ারের জন্য একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। এটি শুধু একটি সনদ নয়, বরং মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের প্রতি প্রতিষ্ঠানের অঙ্গীকারের স্বীকৃতি। ভবিষ্যতেও এপিক হেলথ কেয়ার আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে উন্নত, নির্ভরযোগ্য ও রোগীবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

পূর্ববর্তী নিবন্ধপ্রতীক বরাদ্দের আগে ভোট চাওয়ায় বিএনপি প্রার্থী সরওয়ার জামাল নিজামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ