ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসির আপিল শুনানির চতুর্থ দিনে গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রামে দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ চার আসনে ৪ প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। ঋণখেলাপির দায়ে চট্টগ্রামে রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক বাতিল হওয়া চট্টগ্রাম–১২ পটিয়া আসনের এলডিপির প্রার্থী এম এয়াকুব আলীর প্রার্থিতা নির্বাচন কমিশনের আপিলেও ফিরে পাননি। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে শুনানি করে ইসি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে শুনানিতে অন্য নির্বাচন কমিশনাররাও অংশ নেন। সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এ আপিল নিষ্পত্তি করে ইসি। শুনানি শেষে এই তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
ইসির সচিবালয় থেকে জানা গেছে, রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক মনোনয়নপত্র বাছাইকালে যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল তারা নির্বাচন কমিশনে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার জন্য আপিল করেছিলেন। নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানিতে গত ১০ জানুয়ারি ও ১২ জানুয়ারি ৪ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফিরে পান। গতকাল আরো ৪ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।
প্রার্থিতা ফিরে পেলেন যারা : নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানিতে গতকাল প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন চট্টগ্রাম–২ ফটিকছড়ি আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী জিন্নাত আকতার, চট্টগ্রাম–৭ রাঙ্গুনিয়া আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. বেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম–১০ ডবলমুরিং–হালিশহর ও পাহাড়তলী আসনের বাংলাদেশ লেবার পার্টির প্রার্থী মো. ওসমান গনি এবং চট্টগ্রাম–১১ বন্দর–পতেঙ্গা আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ভূইয়া।
আপিলেও প্রার্থিতা বাতিল : চট্টগ্রামে রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক মনোনয়নপত্র বাছাইকালে ঋণখেলাপির দায়ের বাতিল হওয়া চট্টগ্রাম–১২ পটিয়া আসনের এলডিপির প্রার্থী এম এয়াকুব আলী তার প্রার্থিতা নির্বাচন কমিশনের আপিলেও ফিরে পাননি। সুতরাং তিনি আর নির্বাচন করতে পারবেন না।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দ ২১ জানুয়ারি। ভোট হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি।












