মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরে আংশিক ও পূর্ণ বন্ধ থাকার প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রামের আকাশপথেও। এর জেরে গতকাল রোববার চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চারটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড এখনো সীমিত পরিসরে চালু রয়েছে। অন্যদিকে দোহার বিমানবন্দর পুরোপুরি বন্ধ থাকায় মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আসা কিছু ফ্লাইট পরিচালনায় বিঘ্ন ঘটছে।
এ অবস্থায় গতকাল বিমানবন্দর থেকে মোট চারটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের শারজাহ থেকে আসা একটি এরাইভাল ফ্লাইট এবং আবুধাবিগামী একটি ডিপার্চার ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া ইউএস–বাংলা এয়ারলাইন্সের দুবাই থেকে আসা একটি এরাইভাল ও দুবাইগামী একটি ডিপার্চার ফ্লাইটও বাতিল হয়েছে। তবে সব ফ্লাইট বন্ধ হয়নি।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা মোট নয়টি এরাইভাল এবং ছয়টি ডিপার্চার ফ্লাইট গতকাল স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে, সালাম এয়ার ও ইউএস–বাংলা এয়ারলাইন্সের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী কয়েকটি ফ্লাইট ঠিকভাবে চালানো করেছে।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রামের এই বিমানবন্দর থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হচ্ছে। আজকের (গতকাল) চারটি ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত মোট ১২০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইটসূচিতে পরিবর্তন অব্যাহত থাকতে পারে। যাত্রীদের ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করে সর্বশেষ তথ্য জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।












