চট্টগ্রামের অর্ধ–শতাধিক গ্রামের কিছু সংখ্যক মানুষ আগামীকাল শুক্রবার ঈদুল ফিতর উদযাপন করবে। সাতকানিয়ার মির্জারখীল দরবারের মুরিদগণ সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে অন্যান্য বছরের মতো এবারও একদিন আগে ঈদুল ফিতর উদযাপন করবে। দরবারের মুরিদরা সৌদি আরবের সাথে সঙ্গতি রেখে একদিন আগে থেকে রোজা পালন শুরু করেছিল। সেই অনুযায়ী আজ বৃহস্পতিবার তাদের ৩০টি রোজা পূর্ণ হবে। আগামীকাল শুক্রবার সকাল দশটায় দরবার শরীফ মাঠে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। দরবারের পীর হযরত মাওলানা মোহাম্মদ আরেফুল হাইয়ের বড় ছেলে ড. মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ মকছুদুর রহমান ঈদের নামাজে ইমামতি করবেন বলে জানিয়েছেন মির্জারখীল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক শিক্ষক ও দরবারের মুরিদ নুরুল কবির চৌধুরী। তিনি জানান, চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা ছাড়াও দেশের বিভিন্নস্থানে থাকা অনেক মুরিদ ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য দরবারে চলে আসবে।
মির্জারখীল দরবারের সূত্রমতে, সাতকানিয়ার মির্জারখীল, এওচিয়ার গাটিয়াডেঙ্গা, মাদার্শা, খাগরিয়ার মৈশামুড়া, পুরানগড়, চরতির সুইপুরা, চন্দনাইশের কাঞ্চননগর, হারালা, বাইনজুরি, কানাই মাদারি, সাতবাড়িয়া, বরকল, দোহাজারী, জামিরজুরি, বাঁশখালীর কালীপুর, চাম্বল, শেখেরখীল, ছনুয়া, আনোয়ারার বরুমছড়া, তৈলারদ্বীপ, লোহাগাড়ার পুটিবিলা, কলাউজান, বড়হাতিয়া, চুনতি এবং পটিয়া, বোয়ালখালী, হাটহাজারী, সন্দ্বীপ, রাউজান ও ফটিকছড়ির কয়েকটি গ্রামসহ চট্টগ্রামের অর্ধশতাধিক গ্রামের কিছু সংখ্যক মানুষ আগামীকাল শুক্রবার ঈদুল ফিতর উদযাপন করবে। এছাড়া পার্বত্য জেলা বান্দরবানের লামা, আলীকদম, নাইক্ষ্যাংছড়ি, চকরিয়া, টেকনাফ, মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার কয়েকটি গ্রামে থাকা মির্জাখীল দরবারের মুরিদরাও আগামীকাল শুক্রবার ঈদ উদযাপন করবে। মির্জারখীল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক শিক্ষক নুরুল কবির চৌধুরী জানান, দরবারের অনুসারীরা দুই শত বছরের অধিক সময় ধরে সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে রোজা পালন ও ঈদ উদযাপন করে আসছে।












