চট্টগ্রামের অর্ধশতাধিক গ্রামের কিছু সংখ্যক মানুষ আজ বুধবার থেকে পবিত্র রোজা পালন শুরু করেছে। গতকাল মঙ্গলবার রাত থেকে তারা তারাবির নামাজ আদায় ও ভোরে সেহেরী খাওয়া শুরু করেছেন। সাতকানিয়ার সোনাকানিয়ার মির্জারখীল দরবার শরীফের মুরিদগণ সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে অন্যান্য বছরের মতো এবারও একদিন আগে থেকে রোজা পালন শুরু করেছে।
মির্জারখীল দরবার শরীফ সূত্রমতে, সাতকানিয়ার সোনাকানিয়ার মির্জারখীল, সাইরতলী, আছারতলী, এওচিয়ার গাটিয়াডেঙ্গা, মাদার্শা, খাগরিয়ার মৈশামুড়া, পুরানগড়, চরতির সুইপুরা, চন্দনাইশের সাতবাড়িয়া, কাঞ্চননগর, হারালা, বাইনজুরি, কানাইমাদারি, বরকল, দোহাজারী, জামিরজুরি, বাঁশখালীর কালিপুর, চাম্বল, শেখেরখীল, ছনুয়া, আনোয়ারার বরুমছড়া, তৈলারদ্বীপ, লোহাগাড়ার পুটিবিলা, কলাউজান, বড়হাতিয়া, এবং পটিয়া, বোয়ালখালী, হাটহাজারী, সন্দ্বীপ, রাউজান ও ফটিকছড়ির বেশ কয়েকটি গ্রামসহ চট্টগ্রামের অর্ধ–শতাধিক গ্রামের কিছু সংখ্যক মানুষ আজ থেকে রোজা পালন শুরু করেছে। এছাড়া পার্বত্য জেলা বান্দরবানের লামা, আলীকদম, নাইক্ষ্যাংছড়ি, কঙবাজারের চকরিয়া, টেকনাফ, মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার কয়েকটি গ্রামে থাকা মির্জারখীল দরবার শরীফের মুরিদরাও আজ থেকে রোজা পালন শুরু করেছে।
মির্জারখীল দরবার শরীফের মুরিদ ও মির্জারখীল হাইস্কুল এন্ড কলেজের সাবেক শিক্ষক নুরুল কবির চৌধুরী বলেন, আমাদের পুরো গ্রামের মানুষ বুধবার (আজ) থেকে রোজা পালন শুরু করেছে। চট্টগ্রামের অন্তত অর্ধ–শতাধিক গ্রামে থাকা দরবার শরীফের মুরিদরাও রোজা পালন শুরু করেছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে থাকা মির্জারখীল দরবার শরীফের মুরিদরা একই সাথে রোজা পালন শুরু করেছে। আমরা সবাই মঙ্গলবার থেকে তারাবির নামাজ আদায় ও সেহেরি খাওয়া শুরু করেছি। মির্জারখীল দরবার শরীফের অনুসারীরা আড়াই শতাধিক বছর ধরে সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে রোজা পালন করে আসছে। আমরা ঈদ উল ফিতর, ঈদ উল আযহাও সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে উদযাপন করি।












