চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের সাংগাই অঞ্চলের মনিওয়া শহর থেকে প্রায় ১১২ কিলোমিটার উত্তর–উত্তর পশ্চিমে এবং মাওলাইক শহর থেকে প্রায় ৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ–পূর্বে। ভূমিকম্পটির অবস্থান ছিল ২৩ দশমিক ০৪১১ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ ও ৯৪ দশমিক ৭২৬৮ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ১০১ কিলোমিটার। গতকাল বুধবার রাত ১০টা ৫৩ মিনিটে ৫ দশমিক ১ মাত্রার এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
চট্টগ্রাম নগরীর চেরাগী পাহাড় মোড় এলাকার এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, তিনি বাসায় ছিলেন। হঠাৎ ভূমিকম্প অনুভূত হলে আতংকিত হয়ে পড়েন। কক্সবাজারের এক বাসিন্দা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করে ভূমিকম্পে হঠাৎ আশপাশ কেঁপে উঠার কথা বলেছেন। মৌলভীবাজারে কর্মরত সরকারি এক চাকরিজীবীও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, এই মাত্র (গত রাত ১০.৫৩ মিনিটে) ভূমিকম্প অনুভূত হলো।
ভূমিকম্প অনুভূত হলেও এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোথাও কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ভূমিকম্প বিষয়ক ওয়েবসাইট ভলকানো সিকভারি জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি মাটির ১০১ কিলোমিটার গভীরে আঘাত হেনেছে। যা মিয়ানমার ছাড়াও ভারত ও বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় অনুভূত হয়।












