চকরিয়ায় পুলিশের বাসায় চুরি, দুই শিশুকে আটকে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণ

চকরিয়া প্রতিনিধি | বৃহস্পতিবার , ১৭ জুলাই, ২০২৫ at ১০:১৫ পূর্বাহ্ণ

কক্সবাজারের চকরিয়ায় রাতের আঁধারে গামছা দিয়ে মুখ ঢেকে দেশীয় ধারালো অস্ত্র হাতে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি ভাড়া বাসায় ঢুকেছিল চুরি করতে। কিন্তু ওই বাসায় পুরুষ সদস্য না থাকার সুযোগে দামি মালামাল লুট করার পর দুই সন্তানকে রুমের ভেতরে আটকে রেখে তাদের মাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে রান্না ঘরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। পরে জানাজানি হয় ওই বাসাটি কঙবাজার টুরিস্ট পুলিশে কর্মরত এক কনস্টেবলের এবং ধর্ষিত নারী ওই পুলিশ সদস্যের স্ত্রী।

গত সোমবার গভীর রাতে চকরিয়া পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সাবেক চেয়ারম্যান আলাউদ্দিনের একটি ভাড়া বাসায় এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় বাসার ভাড়াটিয়া পুলিশ সদস্য নিজের কর্মস্থল কঙবাজার সদর এলাকায় ছিলেন।

জানা গেছে, গত সোমবার ভোররাত আনুমানিক ৩টার দিকে অজ্ঞাত এক যুবক রান্নাঘরের জানালা দিয়ে বাসার ভেতরে ঢুকে। তার হাতে ছিল একটি ধারালো দা ও একটি টর্চলাইট। ঢুকেই সে পুলিশের স্ত্রীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা হাতিয়ে নেয়। এ সময় পুরুষ সদস্য না থাকায় দুই শিশু সন্তানকে একটি রুমের ভেতর আটকে রেখে তাদের মাকে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। এসময় রুমের ভেতর আটকা ছোট দুটি শিশু কান্নাকাটির আওয়াজ শুনে পাশের বাসার লোকজন ছুটে আসে। কিন্তু এর আগেই চোর পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে সকালে কঙবাজার থেকে বাসায় ছুটে আসেন ওই নারীর স্বামী পুলিশ কনষ্টেবল।

এই ঘটনায় গতকাল বুধবার থানায় মামলা রুজু করা হয় নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, চুরি ও ভয়ভীতি প্রদানের অভিযোগে। মামলায় অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে ওই যুবককে। ইতোমধ্যে ওই বাড়ির সিসি ক্যামেরার ফুটেজ থেকে অভিযুক্তকে শনাক্ত করে পুলিশের একাধিক দল মাঠে অভিযানে রয়েছে।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন চকরিয়া থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, অভিযুক্তকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ মাঠে রয়েছে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধ‘কক্সবাজারে বিএনপি নেতা রহিম হত্যায় জামায়াত নেতা দায়ী’
পরবর্তী নিবন্ধএনবিআরের আরও এক কর্মকর্তা বরখাস্ত