ঘন কুয়াশার দাপটে দৃষ্টিসীমা তলানিতে নেমে যাওয়ায় ঢাকা নামতে না পারা চারটি বিমান গভীররাতে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে। বাংলাদেশ বিমানের আন্তর্জাতিক রুটের ওই চারটি ফ্লাইটে ১ হাজার ১৬৭ জন যাত্রী ছিলেন। অভিযোগ করা হয়েছে, বাংলাদেশ বিমান থেকে তাদের খাবার দেয়ার কথা থাকলেও দেয়া হয়নি। অভুক্ত মানুষগুলো এতো গভীর রাতে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরেও কোনো খাবার পাননি। যাত্রীদের হট্টগোলে বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে শাহ আমানত বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষও। বাংলাদেশ বিমানের অব্যবস্থাপনায় যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা ঢেকে যায় ঘন কুয়াশায়। রানওয়ে দেখা না যাওয়ায় বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত ঢাকা হযরত শাহজালার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৯টি ফ্লাইট চট্টগ্রাম, কলকাতা এবং ব্যাংককে অবতরণ করতে বাধ্য হয়। নিরাপত্তাজনিত কারণে ফ্লাইটগুলোকে বিকল্প বিমানবন্দরে পাঠানো হয়।
ঢাকা বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে, ৯টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের মধ্যে ৪টি ফ্লাইট চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে, ৪টি ফ্লাইট কলকাতা বিমানবন্দরে ও ১টি ফ্লাইট ব্যাংকক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে আজ সকাল ৯টার পর থেকে সকল ফ্লাইট অপারেশন পুনরায় স্বাভাবিকভাবে শুরু হয়।
চট্টগ্রামে আসা ফ্লাইটগুলো দিল্লী, মাস্কাট এবং কুয়েত থেকে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। গতকাল বেলা ১টার মধ্যে সবগুলো ফ্লাইট ঢাকা ফিরে গেছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইঞ্জিনিয়ার ইব্রাহিম খলিল।












