ঘন কুয়াশায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাত থেকে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) ভোর পর্যন্ত ৯টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট অবতরণ করতে পারেনি। কুয়াশায় রানওয়ে দৃশ্যমান না থাকায় নিরাপত্তাজনিত কারণে ফ্লাইটগুলোকে বিকল্প বিমানবন্দরে পাঠানো হয়।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এসএম রাগীব সামাদ এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, কুয়াশার কারণে ৪টি ফ্লাইট চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে, ৪টি ফ্লাইট কলকাতা বিমানবন্দরে, ১টি ফ্লাইট ব্যাংকক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে ৯টার পর থেকে সকল ফ্লাইট অপারেশন পুনরায় স্বাভাবিকভাবে শুরু হয়। ডাইভারশন হওয়া ফ্লাইটগুলোকে ফিরিয়ে আনা শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে, রাত ৩ টা থেকে ৪ টা পর্যন্ত বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এর সকল ফ্লাইট চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসে। কিন্তু যাত্রীদের খাবার সরবরাহের কথা থাকলেও তারা তা করেনি। এতে চরম অব্যবস্থাপনা দেখা দেয়।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এর চরম অব্যবস্থাপনায় বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকেও। চট্টগ্রামে অবতরণ করা চারটি ফ্লাইটে মোট যাত্রী ছির ১১৬৭ জন।
জানা গেছে, ঢাকাসহ দেশের সর্বত্র বর্তমানে শীত ও ঘন কুয়াশার ব্যাপক প্রভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে গত কয়েকদিন। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকালেও আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী পাঁচদিন দেশের আবহাওয়ায় কুয়াশা ও শীতের প্রভাব অব্যাহত থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশের অনেক জায়গায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ ছাড়া বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আগামী দিনগুলোতে সারাদেশে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।











