সংগীতের সবচেয়ে বড় পুরস্কারের আসর ৬৮তম গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসের ইতিহাসে নাম লিখেছেন যুক্তরাষ্ট্রের র্যাপ তারকা কেনড্রিক লেমার। এবার গ্র্যামিতে আসরে পাঁচটি পুরস্কার জিতে তিনি ভেঙে দিয়েছেন র্যাপারদের মধ্যে সর্বোচ্চ গ্র্যামি জয়ের রেকর্ড। ভ্যারাইটি লিখেছে, যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের ক্রিপ্টো অ্যারিয়ানে বসেছিল পুরস্কারের আসর। বরাবরের মত এবারও জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিশ্বসেরা শিল্পীদের হাতে গ্র্যামি পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। লেমারের আগে র্যাপ সংগীতের জগতে এতদিন এই এই রেকর্ড ছিল র্যাপার জে–জি’র দখলে। জে–জি’র মোট গ্র্যামি ছিল ২৫টি, আর কেনড্রিক লামার তা ছাড়িয়ে গেছেন। এই শিল্পীর ঝুলিতে আছে ২৭টি গ্র্যামি। এবার গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার ‘সং অব দ্য ইয়ার পুরস্কার’ পেয়েছেন বিলি আইলিশ। তিনি ‘ওয়াইল্ডফ্লাওয়ার’ গানের জন্য এই পুরস্কার পেয়েছেন। ‘ডেবি তিয়ার মাস ফোতোস’ দিয়ে অ্যালবাম অব দ্য ইয়ার জিতেছেন ব্যাড বানি। স্প্যানিশ ভাষায় গান গেয়ে এর আগে আর কোনো শিল্পী এতটা প্রশংসা কুড়াননি। মা–বাবার দেওয়া নাম বেনিতো আন্তোনিও মার্তিনেজ ওকাসিও ফেলে ‘ব্যাড বানি’ নামেই বেশি পরিচিত হন পুয়ের্তোরিকোর এই শিল্পী। ‘লুথার’ গানের জন্য রেকর্ড অব দ্য ইয়ার পুরস্কার ঘরে তুলেছেন কেনড্রিক লামার ও সিজা। ব্রিটিশ গায়িকা লোলা ইয়াং সেরা পপ সলো পারফরম্যান্স বিভাগে বিজয়ী হয়েছেন তার ‘মেসি’ গানের জন্য। ‘বেস্ট অডিওবুক, ন্যারেশন অ্যান্ড স্টোরিটেলিং রেকর্ডিং’ বিভাগে প্রথমবারের মত গ্র্যামি জিতেছেন ৯০ বছর বয়সী তিব্বতি আধ্যাত্মিক নেতা দালাই লামা। তার অ্যালবামের নাম ‘মেডিটেশানস : দ্য রিফ্লেকশানস অব হিস হোলিনেস দ্য দালাই লামা।’ ‘কেপপ ডেমন হান্টার্স’–এর জনপ্রিয় গান ‘গোল্ডেন’ গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডের ইতিহাসে নতুন মাইলফলক গড়েছে। প্রথম কে–পপ গান হিসেবে এটি গ্র্যামি জিতে নিয়েছে। পুরস্কার ছাড়াও গ্র্যামিতে ছিল পারফরম্যান্স। গানে গানে মঞ্চ মাতান রোজে, ব্রুনো মার্স, লেডি গাগা, জাস্টিন বিবার, টেইলর, দ্য ক্রিয়েটর ও রেজিনা কিং। প্রয়াত অজি অসবোর্নের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সংগীত পরিবেশন করেন পোস্ট ম্যালোন, স্ল্যাশ ও চ্যাড স্মিথ। প্রয়াত ডি’অ্যাঞ্জেলো ও রবার্টা ফ্ল্যাকের প্রতি সম্মান জানিয়ে লরিন হিল গেয়েছেন। গ্র্যামির সঞ্চালনায় এবার শেষবারের মত ফিরেছেন ট্রেভর নোয়া। টানা ষষ্ঠবারের মতো অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করছেন তিনি।
গুরুত্বপূর্ণ শাখায় গ্র্যামি জিতলেন যারা
রেকর্ড অব দ্য ইয়ার : ‘লুথার’, কেনড্রিক লেমার উইথ সিজা, অ্যালবাম অব দ্য ইয়ার : ‘দেবি তিরার মাস ফোতোস’, ব্যাড বানি, সং অব দ্য ইয়ার : ‘ওয়াইল্ডফ্লাওয়ার; বিলি আইলিশ ও ফিনিয়াস ও’কনেল, সেরা নতুন শিল্পী : অলিভিয়া ডিন, সেরা পপ সলো পারফরম্যান্স : ‘মেসি’, লোরা ইয়াং, সেরা পপ ভোকাল অ্যালবাম : ‘মেহ্যাম’, লেডি গাগা, সেরা ডান্স পপ রেকর্ডিং : ‘আবরাকাডাবরা’, লেডি গাগা, সেরা র্যাপ অ্যালবাম : ‘জিএনএক্স’, কেনড্রিক লেমার, সেরা জ্যাজ ভোকাল অ্যালবাম : ‘পোট্রেট’, সামারা জয়, সেরা অডিও বুক, ন্যারেশন অ্যান্ড স্টোরিটেলিং রেকর্ডিং : ‘মেডিটেশনস : দ্য রিফ্লেকশনস অব হিজ হলিনেস’, দালাই লামা।












