গৌতম বুদ্ধের দর্শন আধুনিক মনোবিজ্ঞানের সাথে সামঞ্জস্য

বেণীমাধব-ফণীভূষণ স্মারক বক্তৃতামালায় মোহিত কামাল

| রবিবার , ১২ জুলাই, ২০২৬ at ১০:৫২ পূর্বাহ্ণ

অনোমা সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর আয়োজনে বেণীমাধবফণীভূষণ স্মারক বক্তৃতামালার ষোড়শ আবর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১০ জুলাই সন্ধ্যায় থিয়েটার ইনস্টিটিউটে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘নিজের প্রদীপ নিজে হও : গৌতম বুদ্ধের দর্শন ও মনস্তত্ত্ব’ শিরোনামে স্মারক বক্তা ছিলেন প্রখ্যাত মনস্তত্ত্ববিদ ও কথাসাহিত্যিক ডা. এম এ মোহিত কামাল।

অনোমা সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর সভাপতি প্রফেসর ডা. প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন সংগঠনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রাক্তন লায়ন গর্ভনর রূপম কিশোর বড়ুয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউসিটিসি’র উপাচার্য বীরমুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ড. মো. জাহিদ হোসেন শরীফ। আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ একাডেমির পরিচালক প্রফেসর তুষার কান্তি বড়ুয়া এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মনোরোগ বিভাগের প্রধান ডা. পঞ্চানন আচার্য্য। স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের মহাসচিব তুষার কান্তি বড়ুয়া। কবি অরূপ কুমার বড়ুয়া ও অ্যাড. দেবাশীষ বড়ুয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন, বাংলাদেশ বৌদ্ধ একাডেমির সচিব পৃথ্বীশ বড়ুয়া শুভ। সম্মাননা স্মারক পাঠ করেন রঞ্জন বড়ুয়া, সত্যপ্রিয় বড়ুয়া ও প্রকৌশলী রাজীব বড়ুয়া। শুরুতেই উদ্বোধনী নৃত্য পরিবেশন করেন শিল্পী অস্মিতা বড়ুয়া।

গৌতম বুদ্ধের দর্শন ও মনস্তত্ত্বকে আধুনিক মনোবিজ্ঞানের সঙ্গে সামঞ্জস্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রখ্যাত মনস্তত্ত্ববিদ ও কথাসাহিত্যিক ডা. এম এ মোহিত কামাল। তিনি বলেন, জ্ঞানের কথা হলো, নমনীয় হওয়া। তথাগত বুদ্ধ চরমপথ গ্রহণ করা থেকে বিরত ছিলেন। মানবজাতিকেও চরমপথ গ্রহণ নাকরার শিক্ষা দিয়ে গেছেন। বর্তমান যুদ্ধবিগ্রহে লিপ্ত বিশ্ববাসীর জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ দর্শন এবং প্রাসঙ্গিক মনস্তাত্ত্বিক অনুষদও। অশান্তিময় বিশৃঙ্খল বিশ্বে আমরা দেখতে পাচ্ছি চরমপথ একতরফা, একরোখা প্রকৃতির হয়। এ ধরনের বেপরোয়া সিদ্ধান্ত এবং পথচলায় যথার্থ বিবেচনাবোধ লোপ পায় কিংবা বিনাশ হয়ে যায়।

উদ্বোধক লায়ন রূপম কিশোর বড়ুয়া বলেন, বাস্তব কর্মজীবন ও মানব জীবনে সফলতা হলে হলে সময়ানুবর্তিতা, শ্রম ও নিষ্ঠার উপর গুরুত্ব দিতে হবে। গৌতম বুদ্ধের অমৃত ও অপ্রমাদপূর্ণ বাণী ও শিক্ষার সাথে ইতিবাচক। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধবাঁশখালীর দুর্গত এলাকায় ইসলামিক ফ্রন্টের ত্রাণ বিতরণ
পরবর্তী নিবন্ধসুয়াবিল ও নাজিরহাট পৌরসভার একাংশ বাদ দেওয়ার দাবি