দেশের যে কোন পর্যটন এলাকার চেয়ে গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্য আমার কাছে ভিন্নতা মনে হয়েছে। গুলিয়াখালীর এই রূপের ভিন্নতার কথা সবার কাছে তুলে ধরা দরকার। গত রোববার সীতাকুণ্ড উপজেলার মুরাদপুর ইউনিয়নের গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত পরিদর্শনে এসে বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, প্রকৃতি আর সৈকত দুটোই একাকার হয়ে আছে গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকতে। সীতাকুণ্ডের ইউএনও ইতিমধ্যে পর্যটকদের জন্য এখানে অনেক সুযোগ–সুবিধার ক্ষেত্র তৈরি করেছেন যাতে আরো বেশি পর্যটক এখানে প্রকৃতি ও সৈকতের নান্দনিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন। এসময় তিনি পর্যটনের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার পাশাপাশি নিরাপত্তার জন্য ট্যুরিস্ট পুলিশের ক্যাম্প স্থাপনের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন স্থায়িত্বশীল উন্নয়নের জন্য সংগঠন ইপসার উদ্যোগে ওয়াশব্লক, মাতৃদুগ্ধ কর্নার, বসার স্থান, ডাস্টবিন স্থাপন, ব্রিজ নির্মাণ ইত্যাদি উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেন, পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো. রাহাত আনোয়ার, ট্যুরিস্ট পুলিশের এডিশনাল এসপি হাসান ইকবাল, মুরাদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস. এম রেজাউল করিম বাহার, মুরাদপুর ইউপি সদস্য নুরুল আমিন শফিক, রিজিয়া আক্তার, লুৎফুন সিদ্দিকী, মো. খোরশেদ আলম, মো. রেহান উদ্দীন, মো. মফিজুর রহমান, মো. আবুল কালাম প্রমুখ।












