ফিলিস্তিনি ছিটমহল গাজায় কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে অন্তত ২৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। গতকাল শনিবার ভোরে হামাস পরিচালিত একটি পুলিশ স্টেশন, কয়েকটি অ্যাপার্টমেন্ট ও বাস্তুচ্যুত লোকজনকে আশ্রয় দেওয়া একটি তাঁবু এলাকায় হামলাগুলো চালানো হয়।
চিকিৎসা কর্মী ও পুলিশের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাসের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি সত্ত্বেও ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো গাজা সিটির পশ্চিমে শেখ রাদওয়ান পুলিশ স্টেশনকে লক্ষ্যস্থল করে, এতে ১০ কর্মকর্তা ও বন্দি নিহত হন।
এদিকে গাজা সিটির আল শিফা হাসপাতালের একটি সূত্র আল জাজিরাকে জানিয়েছে, শেখ রাদওয়ান এলাকার পুলিশ স্টেশনে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ১৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এতে শনিবার মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৯ জনে দাঁড়িয়েছে।
শিফা হাসপাতালের কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গাজা সিটির এক অ্যাপার্টমেন্টে আরেকটি বিমান হামলা চালানো হয়, এতে তিন শিশু ও দুই নারী নিহত হন। নিহত শিশুদের চাচা সামের আল–আতবাশ বলেন, আমরা আমাদের ছোট তিন ভাতিজিকে রাস্তায় পাই। তারা বলে যুদ্ধবিরতি। এসব শিশু কী করেছিল? আমরা কী করেছিলাম?
ছিটমহলটির দক্ষিণাংশের খান ইউনিসে বাস্তুচ্যুতদের তাঁবু শিবিরে আরেক হামলায় সাতজন নিহত হন। খবর বিডিনিউজের।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর একটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, শুক্রবারের একটি ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় এসব হামলা চালানো হয়েছে। এদিন ইসরায়েলি সেনারা রাফার একটি টানেল থেকে বের হয়ে আসা আট বন্দুকধারীকে শনাক্ত করে। তাদের মধ্যে তিনজনকে ইসরায়েলি বাহিনী হত্যা করে এবং চতুর্থ আরেকজনকে গ্রেপ্তার করে, যাকে ওই এলাকায় হামাসের একজন শীর্ষ কমান্ডার বলে বর্ণনা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। হামাস এ ঘটনার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। ইসরায়েলকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য দায়ী করে আসছে তারা।












