গণঅভ্যুত্থানে পরাজিত শক্তির কোনো জনমত নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, আমরা যে ভোটের আয়োজন করছি, মনে রাখতে হবে প্রায় ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের পতনের ফলে। একটা স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা যখন থাকে; তখন সকল ব্যবস্থাতেই তার লোকজন ঢুকে পড়ে। মনস্তত্ত্বও ওরকম হয়ে যায়। সেটার বিপরীতে দাঁড়িয়ে আমরা নির্বাচন আয়োজন করছি, একটা গণঅভ্যুত্থানের শক্তির ওপর দাঁড়িয়ে। সেখানে পরাজিত শক্তি কিছু বাধা সৃষ্টি করতে পারে। সে বাধাগুলো আমাদের মোকাবেলা করতে হবে। তবে আমার মনে হয়, পরাজিত শক্তির পক্ষে কোনো জনমত নেই। খবর বিডিনিউজের।
গত শুক্রবার সকালে সিলেট প্রেস ক্লাবে পিআইবি আয়োজিত ‘নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। অনেক বছর পর একটা ভোট হবে জানিয়ে রিজওয়ানা হাসান বলেন, ভোটে সরকারের কোনো পক্ষের কোনো অবস্থান নেই। মানুষ নির্ভয়ে জেনে–বুঝে ভোটাধিকার যেন প্রয়োগ করতে পারে, সেই আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে। নির্বাচন সুষ্ঠু, উৎসব মুখর ও অংশগ্রহণমূলক হোক, এটাই আমাদের প্রত্যাশা। সরকার এবং গণমাধ্যম একসঙ্গে মিলে ভোটের যে চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেগুলো মোকাবেলায় জনমত গড়ে তুলতে পারে।
সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে মব আক্রমণ নিয়ে সাংবাদিকের করা প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, আমার বাসার সমানেও ককটেল ফাটিয়েছে, এতে করে কী আমি বাহিনী নিয়ে এখানে এসেছি..? অপশক্তিকে শুভশক্তি দিয়ে মোকাবেলা করতে হবে। অপশক্তির কয়টা লোক…? ইতিবাচক শক্তিকে সংগঠিত হতে হবে। ফাইট ব্যাকের স্প্রিটটা থাকতে হবে।











