খাগড়াছড়িতে উৎপাদিত কলার চাহিদা দেশজুড়ে। পাহাড়ের এসব কলা স্থানীয়দের চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যায়। এবার কাঁচা কলা থেকে চিপস বানাচ্ছে খাগড়াছড়ির উদ্যোক্ততা লাকী চাকমা। লাকির তৈরি করা কলার চিপসের চাহিদাও বেশ। খাগড়াছড়ি জেলা শহর ছাড়াও তার বানানো চিপস পাশের জেলা রাঙামাটি ছাড়াও ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশালসহ বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে। সরেজমিনে খাগড়াছড়ি পৌর শহরের কলেজ পাড়ায় লাকি চাকমার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, কলার চিপস বানানোর আয়োজন চলছে। তিন জন নারী কর্মচারী কলা থেকে খোসা ছাড়ানোর কাজ করছে। খোসার ছাড়ানোর পর ভিনেগার আর হলুদ মাখানো পানি ভেজানো হচ্ছে কাঁচা কলা। কিছুক্ষণ পর কলাগুলো চিপসের আকারে পাতলা করে কাটা হচ্ছে। গরম তেলে ভাজার পর মসলা মাখানো শেষে প্যাকেটজাত করা হয়।
লাকী জানান, ২০২৪ সালের মে মাসে প্রাথমিকভাবে ছোট পরিসরে কলার চিপস বানানো শুরু করেন তিনি। বলেন, প্রথমে নিজে খাওয়ার জন্য কলার চিপস বানাতাম। আশপাশের প্রতিবেশীদের দিতাম। তারা আমাকে ভালো ফিডব্যাক দিল। তাদের উৎসাহে আমি বাণিজ্যিক কলার চিপস বানানো শুরু করলাম। চাহিদা বাড়ায় এখন আমি বড় পরিসরে করতে লাগলাম। ভবিষ্যত পরিকল্পনা হল–ছোট পরিসরে চিপসের কারখানা করা, যাতে কিছু মানুষের কর্মসংস্থান হবে। লাকি চাকমা বলেন, খাগড়াছড়িতে প্রচুর কলা উৎপাদিত হয়। বেকার তরুণ–তরুণীরা চাইলে চাকরি পিছনে না ছুটে নিজেরাই উদ্যোক্তা হতে পারে।
খাগড়াছড়ির মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ পরিচালক সুস্মিতা খীসা বলেন, লাকি চাকমার উৎপাদিত কলার চিপসের গুণগত মান ভালো। জেলার বিভিন্ন মেলায় লাকী চাকমাকে কলার চিপস বিক্রি করতে দেখেছি। তার এই উদ্যোগ অনুকরণীয় হতে পারে।












