খতনা করাতে ৭ বছরের শিশুর মৃত্যু, তদন্ত কমিটি গঠন

আজাদী প্রতিবেদন | বৃহস্পতিবার , ৮ জানুয়ারি, ২০২৬ at ৪:৫৮ পূর্বাহ্ণ

নগরীর চান্দগাঁও থানাধীন বহদ্দারহাট এক কিলোমিটার এলাকার বেসরকারি হাসপাতালে খতনা করাতে গিয়ে সাত বছরের শিশু মোহাম্মদ মোস্তফার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়। কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। গতকাল সিভিল সার্জন ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত নোটিশে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তদন্ত কমিটিতে ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ তৌহিদুল আনোয়ারকে সভাপতি করা হয়েছে। এছাড়া সদস্য সচিব করা হয় সিভিল সার্জন কার্র্যালয়ের এমও ডা. মো. নুরুল হায়দারকে। কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন, মীরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙের জুনিয়র কনসালটেন্ট (এনেসথেসিয়া) ডা. মোহাম্মদ রাজীব হাসান, বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙের জুনিয়র কনসালটেন্ট (সার্জারি) ডা. নিগহাত জাবীন এবং হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙের জুনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু) ডা. মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম।

জানা গেছে, গত শনিবার খতনা করাতে গিয়ে বোয়ালখালীর শিশু মোহাম্মদ মোস্তফার মৃত্যু হয়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টায় বহদ্দারহাট এক কিলোমিটার এলাকার সেইফ হেলথ কেয়ার হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। সন্ধ্যা ছয়টায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে রাত ১০টার দিকে আইসিইউতে তার মৃত্যু হয়। ডাক্তাররা জানান, হার্ট অ্যাটাক করে শিশুটি মারা গেছে। তবে শিশুর বাবা আবু মূসা বলেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের শিশু সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ জুনাইদ চৌধুরী বিকেলে আমার ছেলের অপারেশন করেন। সন্ধ্যায় হাসপাতালের লোকজন জানান, আমার ছেলের অবস্থা খারাপ, তাকে চমেক হাসপাতালে নিতে হবে। রাত ১০টায় বলা হয়, সে মারা গেছে। আমার ছেলের প্রশ্রাবের রাস্তায় সমস্যা ছিল। সেটির অপারেশনের পাশাপাশি খতনা করানোর কথা ছিল। কিন্তু আমার হাসিখুশি ছেলেটা একেবারে চলেই গেলো।

উল্লেখ্য, আবু মুসার দুই সন্তানের মধ্যে মোস্তফা সবার বড়। তার দুই বছর বয়সী আরো একটি ছেলে রয়েছে। তিনি বোয়ালখালীর পূর্ব গোমদন্ডি গ্রামে পরিবারের সাথে বসবাস করেন। স্থানীয় একটি ডিশ ক্যাবল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন তিনি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধচবি ‘এ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ, পাস ৫২.৩৯ শতাংশ
পরবর্তী নিবন্ধযাত্রীর ব্যাগেজে মিলল ২১ লাখ টাকার বেশি স্বর্ণ