সিজেকেএস ক্লাব সমিতি আয়োজিত সিসিএস ট্যালেন্ট কাপ টি–টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় রাউন্ডের খেলায় কোয়ালিটি ব্লুজ এবং কে এম স্পোর্টিং ক্লাব জয় পেয়েছে। এটি দু’দলেরই টানা দ্বিতীয় জয়। কোয়ালিটি তাদের প্রথম খেরায় আবাহনী জুনিয়রকে পরাজিত করেছিল। অন্যদিকে কে এম স্পোর্টিং ক্লাব তাদের প্রথম খেলায় আগ্রাবাদ নওজোয়ান গ্রীনকে হারিয়েছিল। গতকাল সোমবার চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দিনের প্রথম খেলায় কোয়ালিটি ব্লুজ ৭১ রানের বড়ো ব্যবধানে লিটল ব্রাদার্সকে পরাজিত করে। টসে জিতে কোয়ালিটি প্রথমে ব্যাট করতে নামে। ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে তারা ১৪৬ রান সংগ্রহ করে। দলের অধিনায়ক জিসানুল কাদের ৪৪ বল খেলে অপরাজিত ৫৫ রানের সর্বোচ্চ ইনিংস খেলেন। ৭টি চার এবং ১টি ছক্কা ছিল তার ইনিংসে। অন্যদের মধ্যে শেখ রেদওয়ানুল ২৪,ইমতিয়াজ হোসেন ১৮, মো. ফাহিম ১৬ এবং মোরশেদ চৌধুরী ১১ রান করেন। অতিরিক্ত থেকে আসে ১৪ রান। লিটল ব্রাদার্সের পক্ষে ৩টি করে উইকেট নেন পাভেজ মিয়া এবং মুন মল্লিক। জবাবে লিটল ব্রাদার্স ১৭.৩ ওভার খেলে মাত্র ৭৫ রানে গুটিয়ে যায়। দলের সর্বোচ্চ রান আসে অতিরিক্ত ১৫ থেকে। এছাড়া আরবাজ খান ১২ এবং মুন মল্লিক ১৩ রান করেন। অন্যদের মধ্যে আর কেউই দুই অংকের ঘরে যেতে পারেনি। কোয়ালিটির পক্ষে ৩টি করে উইকেট নেন ইমতিয়াজ হোসেন এবং আবদুল্লাহ আল সাঈদ। ২টি উইকেট নেন আজমাইন ইকতেদার। প্লেয়ার অব দি ম্যাচ জিসানুল কাদেরের হাতে পুরস্কার তুলে দেন লিটল ব্রাদার্সের টিম ম্যানেজার লিয়াকত আলী জসিম এবং কোয়ালিটি ব্লুজের টিম ম্যানেজার মো. সেকান্দর। দিনের দ্বিতীয় খেলায় কে এম স্পোর্টিং ক্লাব ৬ রানে হারায় আবাহনী জুনিয়রকে। আবাহনীর এটি টানা দ্বিতীয় পরাজয়। টসে জিতে কে এম স্পোর্টিং প্রথমে ব্যাট করতে নামে। র্নিধারিত ২০ ওভার খেলে ৯ উইকেট হারিয়ে তারা সংগ্রহ করে ১২০ রান। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪০ রান করেন ওপেনার জাহেদুল ইসলাম রাকিব। ৩৪ বল খেলে ৪টি চার এবং ১টি ছয়ের সাহায্যে তিনি ঐ রান সংগ্রহ করেন। অন্যদের মধ্যে ফারুকুজ্জামান আলভী ১৬ এবং ইশতিয়াক মাহমুদ ১৫ রান করেন। বাকিদের কেউই দু’অংকের ঘরে যেতে পারিননি। অতিরিক্ত থেকে আসে ১৮ রান। আবাহনী জুনিয়রের পক্ষে ৩টি করে উইকেট পান শাহেদুল আলম এবং মো. আরিফ। ২টি উইকেট পান রাশেদুল বারী। জবাবে আবাহনী জুনিয়র ২০ ওভার খেলে ৫ উইকেটে ১১৪ রান সংগ্রহ করতে পারে। দলের রায়হান ২১২ বল খেলে ২৩ রানে অপরাজিত থাকেন ৩টি চার এবং ১টি ছক্কায়। অন্যদের মধ্যে নুরুল হাসনাত ১৫, রাশেদুল বারী ১৮ এবং আবিদ হাসান ১৮ রান করেন। অতিরিক্ত থেকে আসে ১৯ রান। কে এম স্পোর্টিং ক্লাবের মো. জয় ৪ ওভারে ১১ রান দিয়ে ২টি উইকেট তুলে নেন। ১টি করে উইকেট নেন ইশতিয়াক মাহমুদ এবং আবরারুল হক। প্লেয়ার অব দি ম্যাচ বিজয়ী দলের জাহেদুল ইসলামের হাতে পুরস্কার তুলে দেন কে এম স্পোর্টিং ক্লাবের কর্মকর্তা আলী নূরী মিলটন এবং আবাহনী জুনিয়রের কর্মকর্তা আবদুল কাদের শহীদ।












