উটকে বলা হয় মরুভূমির জাহাজ। আর এই উট এক মিনিটে ৫০ গ্যালন পর্যন্ত পানি পান করতে পারে।
উড়তে পারে এরকম একমাত্র স্তন্যপায়ী প্রাণী হলো বাদুড়। এই প্রাণীটি গুহা থেকে বের হওয়ার সময় সবসময় বাম দিকে মোড় নেয়।
বাগদা চিংড়ির হৃদপিণ্ড থাকে এটির মাথায়।
হাতি একমাত্র পশু যেটি লাফাতে পারে না।
স্লথ হলো মধ্য এবং দক্ষিণ আমেরিকার ক্রান্তীয় বনাঞ্চলের এক প্রকার স্তন্যপায়ী বৃক্ষচারী জীব যার খাবার হজম হতে দুই সপ্তাহ সময় লাগে।
একটি গাভী পুরো জীবনে প্রায় ২ লাখ গ্লাস দুধ দেয়।
বৈজ্ঞানিকদের ধারণা কুকুরকে গৃহপালিত পশু হিসেবে পোষ মানানো হয়েছিল প্রায় ১৫ হাজার বছর আগে।
কুমির তাদের জিহ্বা বের করতে পারে না।
তিমি হাঙ্গর সবচেয়ে বড় ডিম পাড়ে। এ প্রাণীটির বৃহত্তম যে ডিমটি রেকর্ড করা হয়েছিল সেটি ছিল ১১.৮ ইঞ্চি লম্বা, ৫.৫ ইঞ্চি প্রস্থ এবং ৩.৫ ইঞ্চি পুরু।
চিতাবাঘকে পানি খেতে হয় প্রতি তিন থেকে চার দিনে একবার।
কানের ময়লার স্তর দেখে বৈজ্ঞানিকরা একটি তিমির বয়স নির্ধারণ করতে পারেন।
জিরাফ কোনো শব্দ করতে পারে না কারণ এটির গলায় কোনো ভোকাল কর্ড অর্থাৎ স্বরতন্ত্রী নেই।

কিছু শামুক তিন বছর পর্যন্ত ঘুমাতে পারে।
একজন মানুষের আঙ্গুলের ছাপ যেমন অন্যজনের আঙ্গুলের ছাপের সাথে মিলে না ঠিক তেমনি একটি গরিলার নাকের ছাপও আরেকটি গরিলার নাকের ছাপের সাথে মিলে না। গরিলারা কিন্তু খুশি হলে ঢেকুর তোলে।
একটি বাঘের গর্জন প্রায় তিন কিলোমিটার দূর থেকেও শোনা যায়।
সিন্ধুঘোটক পানি এবং মাটি উভয় জায়গাতেই ঘুমাতে পারে। এই প্রাণীটি দিনের প্রায় ১৯ থেকে ২০ ঘণ্টাই ঘুমিয়ে কাটায়।
কোয়ালার আঙ্গুলের ছাপ মানুষের আঙ্গুলের ছাপের সাথে এতই মিল যে মাঝেমধ্যে বুঝা যায় না কোন ছাপটি কোয়ালার আর কোনটি মানুষের।

হাতির বাচ্চা জন্ম নেয়ার ২০ মিনিটের মধ্যেই উঠে দাঁড়াতে পারে।
সুড়সুড়ি দিলে ইঁদুরও কিন্তু হাসে।
একটি জাগুয়ারের রাতের দৃষ্টিশক্তি মানুষের রাতের দৃষ্টিশক্তির চেয়ে ছয় গুণ বেশি।
একটি বিড়াল কোনো জায়গা তার থাকার জন্য যথেষ্ট আকারের বড় কি না সেটা বুঝতে তার গোঁফকে ব্যবহার করে থাকে।
একটি গিরগিটির জিহ্বা এটির শরীরের সমানই লম্বা হয়ে থাকে।








