কালভার্টটি খালেই পড়ে আছে ৫ বছর

চন্দনাইশ প্রতিনিধি | সোমবার , ২২ মার্চ, ২০২১ at ৬:৩৫ পূর্বাহ্ণ

চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড জামিজুরী হিন্দুপাড়া। এ এলাকায় রয়েছে একটি আদর্শ গ্রাম। এলাকার অধিকাংশ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। হিন্দুপাড়া ও আদর্শ গ্রাম মিলে দেড় শতাধিক পরিবারের বসবাস। এসব পরিবারের সদস্যদের নির্বিঘ্ন যাতায়াতে বিভাজন সৃষ্টি করেছে সাতছড়ি খাল। এলাকার মানুষ বাঁশের সাঁকো দিয়ে সাতছড়ি খাল পার হয়ে নিত্যদিনের কাজ করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৩-১৪ সালে সাতছড়ি খালে একটি ডাবলবেন্ড কালভার্ট নির্মাণ করা হয়। এরপর যোগাযোগ ক্ষেত্রে আসে পরিবর্তন। তখন সিএনজি, রিকশা, ভ্যান এলাকায় প্রবেশ করায় কৃষি পণ্যসহ বিভিন্ন মালামাল পরিবহন সহজ হয়। অভিযোগ আছে, কালভার্টটি নির্মাণের সময় নিম্নমানের কাজ করা হয়েছিল। ফলে নির্মাণের দুই বছরের মাথায় তা ভেঙে পড়ে। আবার এলাকাবাসীর দুর্ভোগ শুরু হয়। কালভার্ট ভেঙেছে প্রায় ৫ বছর হলো। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়েও এখানে কালভার্ট নির্মাণ করা হয়নি। অথচ এ এলাকা দোহাজারী পৌরসভার অন্তর্ভুক্ত। সরেজমিনে দেখা যায়, কালভার্টটি ভেঙে পড়ে আছে খালের মধ্যে। গ্রামবাসী জানান, ৫ বছর ধরে কালভার্টটি ভাঙাই পড়ে রয়েছে। এলাকার মানুষ সাঁকো বেঁধে চলাচল করছে। ফলে কৃষি পণ্যসহ অন্যান্য মালামাল পরিবহনে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তারা কালভার্ট নির্মাণের দাবি জানান।
২০১৭ সালের ১১ মে দোহাজারী ইউনিয়ন বিলুপ্ত করে পৌরসভায় উন্নীত করা হয়। তবে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি ৬ নং ওয়ার্ডে। যাতায়াত ব্যবস্থা শোচনীয়। সামান্য বৃষ্টি হলেই কাদা মাড়িয়ে দোহাজারী পৌর সদরে আসা-যাওয়া করতে হয়। কালভার্টটি কোন প্রকল্পের আওতায় নির্মাণ করা হয়েছিল জানেন না উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম। তিনি জানান, নতুন করে কালভার্ট নির্মাণের জন্য প্রজেক্ট প্রোপাইল ঢাকায় পাঠানোর পর সয়েল টেস্ট করা হয়েছে। দোহাজারী পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমতিয়াজ হোসেন বলেন, শীঘ্রই কালভার্টটি পরিদর্শন করব। কারা এ কালভার্ট নির্মাণ করেছে, কেন হঠাৎ করে ভেঙে গেল তদন্ত করে দেখা হবে। পৌরসভা বা এলজিইডির আওতায় কালভার্টটি নতুন করে করা যায় কিনা তথ্য-উপাত্ত যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধমশক নিধনে প্রয়োজন পৃথক ব্যবস্থাপনায় বিশেষ টিম
পরবর্তী নিবন্ধমশা মারতে ব্যাঙ