জানুয়ারি থেকে ইরানকে ঘিরে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে এ মাসের শুরুর দিকে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় ঘাঁটি কাতারের আল–উদেইদে মার্কিন বাহিনীর ট্রাক–লঞ্চারে ক্ষেপণাস্ত্র বসিয়েছিল বলে উপগ্রহের ছবিতে উঠে এসেছে। আধা স্থায়ী উৎক্ষেপক কেন্দ্রের বদলে সহজে পরিবহনযোগ্য ট্রাকে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের ফলে একদিকে হামলার সময় ক্ষেপণাস্ত্রগুলো দ্রুত ব্যবহার করা যাবে, আবার ইরানের পাল্টা হামলার সময় চাইলে তড়িঘড়ি সরিয়েও নেওয়া যাবে। তেহরান–ওয়াশিংটন উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যুদ্ধের ঝুঁকিও যে কতখানি বেড়েছে, ট্রাক–লঞ্চারে ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের এই সিদ্ধান্তেই তা বোঝা যাচ্ছে। খবর বিডিনিউজের।
দেশের ভেতরকার ভিন্নমত দমনে ইরানি শাসকগোষ্ঠীর ব্যাপক দমনপীড়ন এবং তেহরানের পরমাণু ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি, সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইসরায়েলবিরোধী বিভিন্ন গোষ্ঠীকে সহায়তার কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এরই মধ্যে ইরানে বোমা হামলার হুমকি দিয়েছেন। যুদ্ধ এড়াতে দুই পক্ষের মধ্যে এখন আলোচনাও চলছে। কেবল কাতারে নয়, ইরাক, জর্ডান, কুয়েত, সৌদি আরব, কাতার, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, তুরস্ক এমনকি ভারত মহাসাগরের দিয়েগো গার্সিয়াতেও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।










