যুগে যুগে দ্বীনকে প্রতিষ্ঠিত করতে অসংখ্য নবী ও রাসূল ধরার বুকে প্রেরিত হয়েছে। সর্বশেষ আগমন করেন ছৈয়্যদুল মুরসালিন হযরত মুহাম্মদ (দ.)। আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীনকে প্রতিষ্ঠিত করতে সবচেয়ে বেশি জুলুমের স্বীকার হতে হয়েছে নবীজিকে। শুধু তাই নয় জিহাদের ময়দানে স্ব–শরীরে উপস্থিত থেকে বহু যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ইতিহাসে এরকম একটি যুদ্ধ হলো ঐতিহাসিক বদর প্রান্তরে সংঘটিত যুদ্ধ। এ যুদ্ধে তিনশত তের জন মুসলিম মুজাহিদের বিপরীতে এক হাজার কাফের মুশরিক ছিলো। তবুও বিজয় ছিলো মুসলিমদের। এ বিজয় অর্জনের নেপথ্যে ছিলো নবীজির অশ্রুসজল দোয়া আর এখলাস। সাথে ছিলো সাহাবায়ে কেরামদের তৌহিদের প্রতি অটল বিশ্বাস এবং নবীজির প্রতি সুগভীর ভালোবাসা। যার ফলশ্রুতিতে ঈমানী তেজে বলীয়ান হয়ে বদরের প্রান্তরে কাফেরদের বিরুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিলো।
মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটি বাংলাদেশ উত্তর রাউজান সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে গতকাল (শনিবার) সকাল ১০টা হতে চট্টগ্রাম কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক ১৭ রমজান পবিত্র বদর দিবস এবং খলিলুল্লাহ, আওলাদে মোস্তফা, খলিফায়ে রাসূল (দ.) হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর বেলাদাত শরীফ স্মরণে ও এ দরবারের মহীয়সী রমণী জামানার রাবেয়া বসরী, ফাতেমায়ে ছানী আলহাজ্বা রুহানী আম্মাজান (রাহ.) এর ইছালে ছাওয়াব উপলক্ষ্যে ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় মোর্শেদে আজম মাদ্দাজিল্লুহুল আলী ছাহেব এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ও সংগঠনের মহাসচিব প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবুল মনছুরের সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিলে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. জালাল আহমদ, মুফতি মাওলানা কাজী মুহাম্মদ আনোয়ারুল আলম ছিদ্দিকী, মাওলানা মুহাম্মদ শফিউল আলম ও মাওলানা মুহাম্মদ গোলাম রাব্বানী ফয়সাল। মিলাদ–কিয়াম শেষে প্রধান অতিথি দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি–সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












