কর্মসংস্থানের অভাব ও মেধাবী শিক্ষার্থীর বিদেশমুখিতা

তরুণ কান্তি বড়ুয়া | মঙ্গলবার , ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ at ৭:১১ পূর্বাহ্ণ

বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে মানুষের একদেশ থেকে অন্য দেশে মাইগ্রেশন একটি স্বাভাবিক প্রবণতা হিসেবে লক্ষ্য করা গেলেও বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিদেশ মুখিতা ভীষণ উদ্বিগ্নতার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, কর্মসংস্থান, সামাজিক নিরাপত্তা এসব বিভিন্ন কারণ বর্তমান তরুণ প্রজন্মকে বিদেশ মুখিতায় আগ্রহী করে তুলেছে। এ প্রবণতা লাগামহীন গতিতে বেড়ে চলেছে এবং এর মূলে রয়েছে দেশে নির্ভরযোগ্য কর্মসংস্থানের অভাব, অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ ও বিভিন্ন স্তরে কাঙ্খিত সুষম পরিবেশের অভাব। নতুন কর্মসংস্থান ও উন্নত পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে এ প্রবণতার পরিবর্তন সম্ভব বলে মনে হয়।

দেশে কর্মসংস্থানের অভাব বলতে বোঝায় যখন কর্মক্ষম ও কর্ম প্রত্যাশী মানুষের চেয়ে কাজের সুযোগ কম থাকে। বাংলাদেশে শিক্ষিত ও দক্ষ কর্মীর অভাব প্রকট। অনেক ক্ষেত্রে দক্ষ ও শিক্ষিত লোকদের কাজে লাগানোর যথাযোগ্য কর্মক্ষেত্র ও সুযোগ অনেকটা অপর্যাপ্ত। অনেক শিক্ষিত বেকার হতাশায় নিমজ্জিত হয়ে বিদেশ মুখী হতে বাধ্য হয়। বিশেষ করে উচ্চশিক্ষিত বেকারের হার অপ্রতিরোধ্য গতিতে বেড়ে চলেছে। পাশাপাশি এর বিপরীত চিত্র হচ্ছে দেশের সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গুলোতে হাজার হাজার বিদেশি নাগরিক কাজ করছে। দেশে দক্ষ লোকের অভাব থাকায় আমাদের উদ্যোক্তারা বিদেশি কর্মীদের উপর বেশি নির্ভরশীল হচ্ছেন। পরিসংসংখ্যান অনুযায়ী ১৬টি দেশের নাগরিকরা এক বছরে বৈধ উপায়ে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স হিসেবে বাংলাদেশ থেকে ২০১কোটি ৩০ লাখ ডলার নিয়ে গেছেন, বাংলাদেশী মুদ্রায় যার পরিমাণ ১৬ হাজার ৮৫৭ কোটি টাকা। বিপুল এ অর্থের সবচেয়ে বেশি গেছে চীন, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রে। এতে একদিকে যেমন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষস্থানীয় পদগুলো চলে যাচ্ছে বিদেশিদের দখলে, তেমনি বাংলাদেশের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা চলে যাচ্ছে সীমানার বাইরে। প্রতিবছর যে পরিমাণ শ্রমশক্তি যুক্ত হচ্ছে কর্মসংস্থানের বাজারে তাদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশকে বেকার থাকতে হচ্ছে। দেশে এখন বেকারের সংখ্যা ২৬ লাখ ৮০ হাজার যা মোট জনসংখ্যার দেড় শতাংশের বেশী। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর শ্রমশক্তি জরিপে দেখা যায় ২০১৬২০১৭ অর্থবছরে দেশে ১৪ লাখ শ্রমশক্তি যুক্ত হয়েছে যে তুলনায় দেশের অভ্যন্তরে নতুন কর্মসংস্থান হয়েছে মাত্র ১৩ লাখ। ফলে ১ বছরের মধ্যে প্রায় ১ লাখ বেকার বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিদেশমুখিতার প্রধান কারণ সমূহ : অনেক শিক্ষার্থী মনে করে দেশের তুলনায় বিদেশে উন্নত গবেষণা, আধুনিক পাঠ্যক্রম সুবিধা এবং বিশ্বমানের শিক্ষক ও গবেষকদের উন্নত দিকনির্দেশনার সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উন্নত শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ থাকলেও আর্থিক সংকট, পর্যাপ্ত অভাবহেতু অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা বিস্তারে এখনো বহুবিধ প্রতিবন্ধকতা রয়ে গেছে যারফলে আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা বৈশ্বিক পরিমন্ডলে প্রতিযোগিতামূলক উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি ক্রমান্বয়ে অধিক আগ্রহী হয়ে উঠছে।

কর্মসংস্থানের সীমাবদ্ধতা : আমাদের দেশে প্রতিবছর বিপুল সংখ্যক স্নাতক, স্নাতকোত্তর, প্রকৌশলী ও চিকিৎসক শ্রমবাজারে প্রবেশ করলেও নতুন কর্মসংস্থানের সংখ্যা সে তুলনায় বৃদ্ধি পাচ্ছেনা। ক্ষেত্রবিশেষে এসব মেধাবী শিক্ষার্থীদের যোগ্যতার সঠিক মূল্যায়ন হয়না বিধায় শিক্ষিত বেকারত্বের হার দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকারি দফতরে প্রতিযোগিতার লড়াই, জনবল নিয়োগের সীমাবদ্ধতা, বেসরকারি খাতে সীমিত সুযোগ ও অনিশ্চয়তা তরুণদের সামনে বিদেশ মুখিতা আরো আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।

গবেষণা ও প্রযুক্তি খাতে সুযোগের অভাব : উন্নত প্রযুক্তি, নতুন উদ্ভাবন ও গবেষণার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অনেক অগ্রগামী হলেও আন্তর্জাতিক মানের গবেষণার সুযোগ আমাদের দেশে খুবই কম। বিজ্ঞান প্রযুক্তি ও গানিতিক ক্ষেত্রে বিশদ গবেষণা সুযোগের অভাবহেতু মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিদেশ মুখী হওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাছাড়া উন্নত দেশগুলোতে কিছু কিছু ক্ষেত্রে স্কিল্ড ইমিগ্রেন্ট বা মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য অভিবাসন নীতি সহজ থাকার বিষয়টিও অনেক শিক্ষার্থীকে বিদেশে স্থায়ী বসবাসে আগ্রহী করে তোলে।

জীবনমান ও সামাজিক নিরাপত্তা : দেশে এবং বিদেশে অনেক শিক্ষার্থীরা চায় একটি স্থিতিশীল, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ জীবনযাত্রার পরিবেশ। রাজনীতি, অসহিষ্ণুতা বিভিন্ন স্তরে দুর্নীতিসহ নানান সমস্যা মেধাবীদের মনে হতাশা সৃষ্টি করে যা শিক্ষার্থীদের বিদেশ মুখী হয়ে স্থায়ীভাবে বিদেশে বসবাস করতে উৎসাহ যুগিয়ে থাকে।

বৈশ্বিক দক্ষতার চাহিদা : ডিজিটাল যুগে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা, গ্লোবাল স্কিল, আন্তসাস্কৃতিক পরিবেশগত জ্ঞান এসব বিষয় কর্মক্ষেত্রে বা শ্রমবাজারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিদেশে পড়াশোনা করা আমাদের মেধাবী শিক্ষার্থীরা এসব সহজে আয়ত্তে নিয়ে দক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারে। তাই আমাদের মেধাবী শিক্ষার্থীরা বিদেশের মাটিতেই তাদের উন্নত কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়ে যায়।

দেশে কর্মসংস্থানের অভাব : এটি কি প্রধান কারণ? বাংলাদেশে মোট বেকার জনসংখ্যার তুলনায় শিক্ষিত বেকারত্বের হার খুবই উদ্বেগজনক। উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করা অনেক তরুণ তরুণী কর্মসংস্থানের সুযোগ না পেয়ে হতাশ। দক্ষতা বিবেচনায় কর্মক্ষেত্রে চাহিদার অসামঞ্জস্যতাও এক্ষেত্রে অন্যতম বাধা।

গবেষণা ও প্রযুক্তি খাতে কর্মসংস্থানের সংকট : বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা খাতে সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ অত্যন্ত অপ্রতুল। ফলে অসংখ্য মেধাবী শিক্ষার্থী গবেষণামূলক চাকরি বঞ্চিত হয়ে ভালো সুযোগের সন্ধানে বিদেশে পাড়ি জমাতে আগ্রহী।

যোগ্যতার মূল্যায়নে সীমাবদ্ধতা : কর্মক্ষেত্রে অনেকসময় যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও মেধাবীরা বিভিন্নভাবে অবমূল্যায়িত হয়ে থাকে। ফলস্বরূপ মেধাবী শিক্ষার্থীরা বিদেশ যাওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে উঠে।

স্টার্টআপ বা উদ্যোক্তা হওয়ার অনুকূল পরিবেশের অভাব : দেশে উদ্ভাবনমূলক উদ্যোগ গ্রহণের জন্য প্রয়োজন বিনিয়োগ, তহবিল গঠন, দেশীয় আইনগত সুবিধা ও কর ছাড় সুযোগ। এসব সুযোগের অপর্যাপ্ততার কারণে অনেকেই বিদেশে উদ্ভাবন মূলক উদ্যোগ গ্রহণে আগ্রহী হয়ে উঠে।

বিদেশমুখী প্রবণতা নিরসনের উপায় : শিক্ষাক্ষেত্রে স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজিয়ে বাস্তবমুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে হবে। গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারি বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। গবেষণার উন্নত পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে আধুনিক ল্যাব, রিসার্চ সেন্টার স্থাপন করতে হবে। বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা দফতরে যৌথ গবেষণা চলমান রাখতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মী বিনিময় কর্মসূচি চালু রাখতে হবে।

কর্মসংস্থানের নতুন খাত সৃষ্টি করতে হবে : প্রযুক্তিগত, বায়োটেকনোলজি, আইসিটি, চিকিৎসাসহ উন্নয়ন খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করতে হবে। রপ্তানিমুখী শিল্প, ফার্মাসিউটিক্যাল, আইসিটি ও ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে মেধাবীদের সম্পৃক্ত করতে হবে। বিদেশ ফেরত শিক্ষিত মেধাবী সকলকে অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার আলোকে গবেষণা, শিক্ষা, প্রশাসন ও শিল্প খাতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিয়োজিত করার ব্যাপারে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। কর্মসংস্থানের নতুন খাত সৃষ্টির মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধিতে জাতীয় কর্মসূচি প্রনয়ণ করতে হবে। প্রোগ্রামিং এনালাইসিস, গবেষণা পদ্ধতি, উদ্যোক্তা বিষয়ে সরকারি পর্যায়ে প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা চালু করতে হবে।

সবক্ষেত্রেই যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ নিশ্চিত করতে স্বচ্ছ নীতিমালা প্রনয়ণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রয়োজনে প্রশাসনিক জটিলতা ও অনিয়ম দূর করতে হবে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, শিক্ষাঙ্গনে সেশনজট মুক্ত পরিবেশ ও সহিংসতা মুক্ত ক্যাম্পাস মেধাবীদের জাতীয় অগ্রগতিতে সম্পৃক্ত হতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। উন্নত দেশগুলোর মতো বাংলাদেশেও সরকারি বেসরকারি পর্যায়ে স্কলারশিপ, ফেলোশিপ ও অনুদানের পরিমাণ বাড়াতে হবে যাতে শিক্ষার্থীরা দেশে থেকেই উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন ও গবেষণায় মনযোগী হতে পারে।

মেধা পাচার শুধু যে মানবসম্পদ সমৃদ্ধির পথে একটি অশুভ দিক তাই নয়, এটি রাস্ট্রের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাময় স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে বিরাট বাধাস্বরূপ। এ সমস্যার বাস্তব সমাধানের জন্য প্রয়োজন সুসংগঠিত, দীর্ঘ মেয়াদি বাস্তব পদক্ষেপ। এ লক্ষ্য অর্জনে প্রথমত দেশের কর্মসংস্থানের পরিবেশকে আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলা খুবই প্রয়োজন। যোগ্যতা, মেধা, দক্ষতার মূল্যায়ন, ন্যায়সংগত বেতন কাঠামো নির্ধারণ ও কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা থাকা প্রয়োজন। দ্বিতীয়ত, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নের বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনায় নিতে হবে যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা নিজদেশে আন্তজার্তিক মানের সুযোগ লাভকরতে পারে। তৃতীয়ত উদ্ভাবন উদ্যোগ এবং স্টার্টআপ সংস্কৃতির প্রসার ঘটিয়ে সৃজনশীল প্রক্রিয়ায় তরুণদের জন্য মেধা বিকাশের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে দিতে হবে। মেধাবীরা যাতে দেশে থেকে তাদের মেধা, দক্ষতা, যোগ্যতাকে কাজে লাগাতে পারে সে লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিল্পায়নের ক্ষেত্রে উন্নয়ন সহযোগিতা ও প্রযুক্তিগত সহায়তা বৃদ্ধি করতে হবে। সর্বাগ্রে রাস্ট্রকে এমন এক উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে যেখানে দেশপ্রেম, দায়িত্ববোধ এবং ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার একীভূত আশ্বাস মেধাবীদের জন্য সুন্দর স্বাচ্ছন্দ্যময় ও আশাব্যঞ্জক দিক নির্দেশনা এনে দিতে পারে। এ ব্যাপারে সরকারের পাশাপাশি সাধারণ জনগণ এবং সচেতন জনগণকে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে অনুধাবন করতে হবে। মেধাবীরা বিদেশে গিয়ে তাদের মেধার ষ্পূরণ ঘটিয়ে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখলে সেক্ষেত্রে দেশের সুনাম ও মান উচ্চতায় পৌঁছে যাবে, কিন্তু আমাদের ভাবতে হবে দেশ যাতে মেধা শূণ্য না হয়। দেশে স্থিতিশীলতার স্বার্থেই বেকারত্ব মোচনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে হবে। কর্মমুখী শিক্ষার মাধ্যমে দেশে দক্ষ জনশক্তি সৃষ্টির ব্যাপারে সরকার এবং জনগণকে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। উল্লেখিত সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমস্যার সঠিক সমাধানে পৌঁছাতে পারলে দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং মেধাবীদের বিদেশমুখী হওয়ার প্রবণতা কমে আসবে।

লেখক : শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক, কলামিস্ট, প্রাক্তন অধ্যক্ষ রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ ও বর্তমানে রেক্টর বনফুল আদিবাসী গ্রীনহার্ট কলেজ, মিরপুর, ঢাকা।

পূর্ববর্তী নিবন্ধনতুন ‘সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংক’কে দাঁড়াতে হলে গ্রাহকের আস্থা অর্জন করতে হবে
পরবর্তী নিবন্ধ১৬ স্যাটেলাইট হারাল ভারত