কর্ণফুলী নদী রক্ষার জন্য হলেও নগরবাসীর পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী। তিনি বলেন, কর্ণফুলীর তলদেশে পলিথিনের ২০ ফুট স্তর জমেছে। এতে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। আবার নদীর নাব্যতা রক্ষায় ড্রেজিং করতেও সমস্যা হচ্ছে। কর্ণফুলী না বাঁচলে চট্টগ্রাম বন্দর অচল হয়ে যাবে। এতে দেশের অর্থনীতি পঙ্গু হয়ে যাবে।
গতকাল নগরের চকবাজার, কাজীর দেউরি ও কর্ণফুলী মার্কেট পলিথিনমুক্তকরণ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন।
মেয়র আরো বলেন, পরিবেশ দূষণ ও নগরের জলাবদ্ধতার জন্যও পলিথিন দায়ী। পলিথিনের ব্যবহার রোধে আমরা যে উদ্যোগ নিয়েছি তাতে নগরবাসীর সহযোগিতা অপরিহার্য। তিনি বলেন, আইনেও পলিথিন ব্যবহারের সুযোগ নেই। তবে প্রাথমিকভাবে জনসচেতনতা সৃষ্টি কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পরে এ নির্দেশ অমান্য করলে জরিমানাসহ কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করা হবে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মো. নূর উল্লাহ নূরী বলেন, সিটি কর্পোরেশন পলিথিন ব্যবহার নিরুৎসাহিত করতে যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তা প্রশংসনীয়। চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শহীদুল আলম বলেন, পলিথিন আসার আগে বাজারে মানুষের থলে নিয়ে যাওয়ার যে অভ্যাস ছিল তা পুনরায় ফিরিয়ে আনতে হবে। বক্তব্য রাখেন প্যানেল মেয়র মো. গিয়াস উদ্দিন, কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক, নুর মোস্তফা টিনু, শৈবাল দাশ সুমন, হাজী নুরুল হক, শাহেদ ইকবাল বাবু, মো. শফিকুল ইসলাম, মো. জাবেদ, সংরক্ষিত কাউন্সিলর আঞ্জুমান আরা বেগম, হুরে আরা বেগম, শাহীন আক্তার রোজি, রুমকী সেনগুপ্ত, তসলিমা বেগম (নুরজাহান), জাহানারা বেগম পপি, চসিক সচিব খালেদ মাহমুদ, মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম।










