কর্ণফুলী উপজেলা বিএনপি ১১ পদে প্রার্থী ১৫০ জন

কর্ণফুলী প্রতিনিধি | রবিবার , ৩১ আগস্ট, ২০২৫ at ১১:২৩ পূর্বাহ্ণ

কর্ণফুলী উপজেলা বিএনপির বিলুপ্ত কমিটির পর নতুন নেতৃত্বে জায়গা নিতে তীব্র প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ১১ পদে প্রায় ১৫০ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন। দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইদ্রিস মিয়া ও সদস্য সচিব লায়ন হেলাল উদ্দীন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে আহ্বায়ক পদে ৭ জন, সদস্য সচিব পদে ১৮ জন, যুগ্ম আহ্বায়ক পদে ৫১ জন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পদে ৬ জন, যুগ্ম সম্পাদক পদে ১ জন, সাংগঠনিক যুগ্ম সম্পাদক পদে ১ জন, যুগ্ম সচিব পদে ১ জন, মহিলা সচিব পদে ১ জন, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক পদে ১ জন, সিনিয়র সদস্য পদে ১ জন ও সদস্য পদে ৬২ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন। আহ্বায়ক পদের ৭ প্রার্থী হলেনআলী আব্বাস, এস এম মামুন মিয়া, আইনজীবী এস এম ফোরকান, গিয়াস উদ্দীন ফারুকী, মো. হারুন অর রশীদ, মির্জা মো. বাহার উদ্দীন ও মোহাম্মদ ইসমাইল। সদস্য সচিব পদের ১৮ প্রার্থী হলেনহাজী মোহাম্মদ ওসমান, মুহাম্মদ ছালেহ জহুর, মো. জসিম উদ্দিন (জিএম জসিম), এম মঈন উদ্দিন, মো. মেহেরুব হোসাইন খান, এম কে এস মাহমুদুর রহমান মান্না, এম নিজাম উদ্দিন, জমির উদ্দিন, মো. জসিম উদ্দিন, মুহাম্মদ ইয়াছিন হাসান, মো. ফারুক, মোহাম্মদ ইব্রাহীম তালুকদার, মো. নুরুল আবছার, তৈয়বুল আলম, আশফাক উদ্দিন হিরু, মুহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, মোহাম্মদ ইব্রাহিম ও মুহাম্মদ মনোয়ার হোসাইন। সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পদের ৬ প্রার্থী হলেনমো. সোলায়মান, এইচ এম হারুন অর রশিদ, মোহাম্মদ হাশেম, মো. ইদ্রিস হায়দার, মো. ইলিয়াছ ও আবদুল গফুর। যুগ্ম আহ্বায়ক পদের ৫১ প্রার্থী হলেন মো. ইউনুছ, মো. ছারকিচ হোসেন খান তিহাম, এজাবত উল্লাহ, মুহাম্মদ ইদ্রিস আমেরী, আব্দুল আল মামুন, আকতার হোসেন, মো. নুরুল করিব, মো. হাসান, মো. হাছান মনু, মো. হাসেম, কাজী আবদুল রাজ্জাক, এস এম কালা মিয়া, নজরুল ইসলাম (লোটাস নজরুল), মো. মাইমুনুল হক খান, মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, আইনজীবী ওসমান, মো. সেলিম, হাজী আব্দুর রহমান, মো. আবদুল আজিজ, আবদুল কাদের, মো. জাহাঙ্গীর, মো. জলিল, মো. জাহাঙ্গীর, এম শফিউল করিম, আইনজীবী গোলাম মোরশেদ, মোহাম্মদ নুরুল আফসার, আবু তাহের, মো. ইলিয়াছ, মোহাম্মদ নাজের উদ্দীন, মোহাম্মদ সেলিম ইমরান, মো. নুরুল আলম চৌধুরী, মোহাম্মদ ইব্রাহীম, নজরুল ইসলাম, কাজী মো. মঈনুদ্দীন, আবদুল কাদের, রফিকুল আনোয়ার, মো. আব্বাছ উদ্দীন, মো. নাছির, মোহাম্মদ শাহাবউদ্দিন, উম্মে মিরজান শামীম, মুক্তিযোদ্ধা আবদুর রব, মো. আলমগীর, সালাউদ্দিন, আবদুল নুর, মো. ফারুক হোসাইন, অলি আহমদ, আলী আব্বাস, মো. সেলিম, মোহাম্মদ সেলিম খান, মো. ইসমাইল ও এম মাহবুবুল আলম জনি। বিএনপির সিনিয়র নেতারা জানিয়েছেন, ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মীদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন মামলাহামলা সহ্য করে রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা নেতাদের মূল্যায়ন করারও দাবি জানান তারা।

পূর্ববর্তী নিবন্ধসিলেট সীমান্তে গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত
পরবর্তী নিবন্ধভারতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ শুল্কে রপ্তানি আদেশ বাংলাদেশে স্থানান্তরিত হবে