কবি ও চিত্রশিল্পী সৈয়দা করিমুননেসার কাব্যগ্রন্থ ‘ইশ যদি পাখি হতাম’–এর প্রকাশনা উৎসবে বক্তারা বলেছেন, কবিতা আধুনিকতার টানে নিজেকে সাজিয়ে তুলতে চেষ্টা করে মূলত নতুনত্ব ও অভিনবত্বে। দেশের সামাজিক–সাংস্কৃতিক প্রভাব কবিতার মধ্যে পড়ে। যুগে যুগে কালে কালে সব দেশেই এমনটি ঘটে থাকে।
তাঁরা বলেন, কখনো বাস্তবতা আর কখনো পরাবাস্তবতার ভেতর দিয়ে কবির যাত্রা। মানুষ নিজেকে সর্বদা একটি অবিনশ্বরের সঙ্গে যুক্ত করতে চায়। আর এই অবিনশ্বরতাই হলো তার কবিতা ও শিল্পবোধ।
গত ১৭ জুন চট্টগ্রাম একাডেমির ফয়েজ নুরনাহার মিলনায়তনে লেখক রাশেদ রউফের পরিচালনায় ও ড. আনোয়ারা আলমের সভাপতিত্বে উৎসবে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন প্রফেসর রীতা দত্ত, প্রাবন্ধিক নেছার আহমদ, অধ্যাপক গোফরান উদ্দীন টিটু, কবি সৈয়দা সেলিমা আক্তার, চিত্রশিল্পী জয়নুল আবেদিন, কথাসাহিত্যিক দীপক বড়ুয়া, কবি গীতিকার জসিম উদ্দিন খান, কবি হৃদয় হাসান বাবু, অধ্যক্ষ ছন্দা চক্রবর্তী, কবি জি এম জহির উদ্দীন, বেতার ব্যক্তিত্ব ফজল হোসেন, লেখক প্রীতিশ রঞ্জন বড়ুয়া, সঙ্গীত শিল্পী মানস পাল চৌধুরী প্রমুখ। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম একাডেমির জীবন ও পৃষ্ঠপোষক সদস্য হিসেবে সৈয়দা করিমুননেসাকে সুহৃদ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। সৈয়দা করিমুননেসা তাঁর বক্তব্যে বলেন, সৃষ্টিশীলতা আমার রক্তে, আমার আত্মায়। আমি শিল্পের মানুষ। তাই তার প্রভাব আমার কবিতাতেও পড়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।











