রমজান ঘিরে নগরীর বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে চলছে বিশেষ ইফতার আয়োজন। তারই ধারাবাহিকতায় নগরীর জিইসি, লালখান বাজার, চকবাজার ও আগ্রাবাদে অবস্থিত কপার চিমনির শাখাগুলোতেও সাজানো হয়েছে বৈচিত্র্যময় ইফতার মেন্যু। একই মান ও স্বাদের খাবার চারটি শাখাতেই প্রস্তুত ও বিক্রি করা হচ্ছে। বিশেষ করে হালিম, তেহেরি, মেজবানি ও খাসির পায়া ইতোমধ্যে রোজাদারদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে।
ইফতার মানেই ছোলা, বেগুনি, পেঁয়াজু, জিলাপি কিংবা হালিমের পরিচিত স্বাদ। তবে অনেকেই রমজানে একটু ভিন্ন স্বাদের খাবার খুঁজে থাকেন। সেই চাহিদা পূরণে কপার চিমনি রেস্টুরেন্টে রাখা হয়েছে দেশীয় ঐতিহ্যবাহী খাবারের পাশাপাশি মোগলাই, ট্রেডিশনাল, ইন্ডিয়ান ও চাইনিজ নানা আইটেম।
রেস্টুরেন্ট সূত্রে জানা গেছে, চারটি শাখায় একই ধরনের মেন্যু অনুসরণ করা হয়, যাতে যে কোনো শাখায় গেলে গ্রাহকরা একই স্বাদ ও মানের খাবার পান। তাদের রান্নায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় ঐতিহ্যবাহী মেজবানি গরুর মাংস, তেহেরি, খাসির পায়া এবং হালিমের মতো জনপ্রিয় আইটেমে, যা রমজানে ক্রেতাদের কাছে বিশেষভাবে সমাদৃত।
কর্তৃপক্ষ জানায়, খাবার প্রস্তুতের ক্ষেত্রে শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হয়। প্রতিটি আইটেম পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন পরিবেশে তৈরি করা হয় এবং উপকরণের মানের দিকেও বিশেষ নজর রাখা হয়।
মূল্যের ক্ষেত্রেও রাখা হয়েছে বিভিন্ন স্তরের ব্যবস্থা। রেস্টুরেন্টটিতে ৬০০ টাকা থেকে শুরু করে প্রায় ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের খাবার ও প্যাকেজ পাওয়া যায়। ব্যক্তিগত অর্ডারের পাশাপাশি গ্রুপ বা পারিবারিক আয়োজনের জন্যও আগাম অর্ডার নেওয়া হয়।
এছাড়া রোজাদারদের সুবিধার জন্য রাখা হয়েছে বিশেষ ইফতার বক্স। ৫০০ থেকে ৭৫০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায় এসব বক্স, যেখানে ছোলা, বেগুনি, পেঁয়াজু, শরবতসহ ইফতারের বিভিন্ন আইটেম থেকে শুরু করে মিষ্টান্ন পর্যন্ত রাখা হয়েছে।
রেস্টুরেন্টটির মহাব্যবস্থাপক কামাল পারভেজ বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই খাবারের গুণগত মান ধরে রাখার চেষ্টা করেছি। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই আজ পর্যন্ত এগিয়ে এসেছি এবং ভবিষ্যতেও তা ধরে রাখতে চাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের খাবার নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ আসেনি। অনেক গ্রাহক আগেই বুকিং দিয়ে রাখেন। সেই অনুযায়ী আমরা খাবার প্রস্তুত করি। অন্যান্য রেস্টুরেন্টের তুলনায় আমাদের খাবারের স্বাদ ও মানে ভিন্নতা আছে বলেই গ্রাহকদের আস্থা তৈরি হয়েছে। সবাইকে আমন্ত্রণ, একবার এসে আমাদের খাবারের স্বাদ নিয়ে দেখার জন্য।’ রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষের আশা, রমজানের এই বিশেষ আয়োজন নগরবাসীর ইফতারকে আরও বৈচিত্র্যময় ও আনন্দময় করে তুলবে।












