কক্সবাজারে গ্যাস পাম্পে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ আবু তাহের মারা গেছেন। গতকাল বিকাল সোয়া ৩টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। নিহত আবু তাহের কলাতলী চন্দ্রিমা আবাসিক এলাকার আবদুর রহিমের পুত্র।
জানা গেছে, গত বুধবার শহরের কলাতলীস্থ কক্সবাজার এলপিজি স্টেশনে গ্যাস পাম্প লিকেজ ও অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হন আবু তাহের। তার শরীরের ৯০ শতাংশ পুড়ে যায়। প্রথমে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয় তাকে। সেখান থেকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আইসিওতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ছমিউদ্দীন জানান, মৃত্যুর পর অ্যাম্বুলেন্সে করে আবু তাহেরের মরদেহ কক্সবাজার রওয়ানা হয়। রাতের মধ্যে পৌঁছার কথা রয়েছে। তিনি বলেন, এই ঘটনায় অন্য পাঁচজনের মধ্যে আব্দুর রহিমের ৫০ শতাংশ, মোহাম্মদ সিরাজের ৪০ শতাংশ, মোহাম্মদ সাকিবের ৩০ শতাংশ, মোহাম্মদ মোতাহের ২০ শতাংশ এবং আবুল কাসেমের ২০ শতাংশ শরীর পুড়ে গেছে। তারা চট্টগ্রাম ও ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটি তদন্ত কার্যক্রম চালাচ্ছে। এছাড়া একজনের মৃত্যুসহ সার্বিক বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।
দুর্ঘটনার শিকার গ্যাস স্টেশনের মালিক এন আলম বলেন, এ ঘটনায় যারা হতাহত হয়েছেন তাদের জন্য আমি অত্যন্ত দুঃখ প্রকাশ করছি। ঘটনার পর থেকে সবার চিকিৎসাসহ যাবতীয় খরচ আমার কোম্পানি বহন করছে। যিনি মারা গেছেন তার পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে। এছাড়া যারা চিকিৎসাধীন, পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত তাদের সম্পূর্ণ চিকিৎসার ব্যয়ভার আমি বহন করে যাবো।












