এ’ ইউনিটে ওএমআর ত্রুটি শনাক্ত, পুনরায় যাচাই করা হচ্ছে ফলাফল

চবিতে ভর্তি পরীক্ষা‘

চবি প্রতিনিধি | রবিবার , ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬ at ৬:৪৪ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ২০২৫২০২৬ সেশন ভর্তি পরীক্ষার ‘এ’ ইউনিটের ফলাফল নতুন করে যাচাই করা হচ্ছে। ওএমআর (উত্তরপত্র) সংক্রান্ত ত্রুটি শনাক্ত হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যাচাই শেষে প্রকাশিত ফলাফলের মেধাক্রমে পরিবর্তন আসতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। আপাতত ফলাফল স্থগিত রাখা হয়েছে। গতকাল শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, যাচাই কার্যক্রম শেষে আগামীকালের (আজকের) মধ্যেই সংশোধিত ফলাফল প্রকাশ করা হতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ৭ জানুয়ারি ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। ফল প্রকাশের পরপরই একাধিক ভর্তি পরীক্ষার্থী ফলাফলে অনিয়মের অভিযোগ তুলেন। এসব অভিযোগের পর ১৪ জানুয়ারি ডিনদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন উপাচার্য। এরপর দ্বিতীয় দফায় গত বৃহস্পতিবার উপাচার্য, দুই সহউপাচার্য, ডিন, ভর্তি পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব এস এম আকবর হোছাইন এবং আইসিটি সেলের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক সাইদুর রহমানকে নিয়ে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকেই ফলাফল পুনরায় যাচাইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আইসিটি সেল সূত্র জানায়, সাধারণত ওএমআরের বৃত্তগুলো নির্দিষ্ট মাপ ও দূরত্ব অনুযায়ী ছাপানো থাকে। তবে প্রাথমিক যাচাইয়ে ‘এ’ ইউনিটের ১৭টি ওএমআরে বৃত্তগুলোর মাপে তারতম্য পাওয়া গেছে। এ কারণে শুধু ওই উত্তরপত্র নয়, বাকি সব ওএমআরও পুনরায় যাচাই করা হচ্ছে। যাচাই কার্যক্রম শেষ হলে নতুন করে ফলাফল প্রকাশ করা হবে। তখন শিক্ষার্থীরা ওয়েবসাইটে তাদের ফল দেখতে পারবেন।

এ বিষয়ে আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক সাইদুর রহমান বলেন, প্রত্যাশিত ফল না পাওয়ার বিষয়ে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ আসার পর কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা পরিচালনা কমিটি দুই দফা বৈঠক করেছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রতিটি ওএমআর আলাদাভাবে যাচাই করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফল যাচাইয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে সহউপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান বলেন, ‘এ’ ইউনিটের ফলাফলের চূড়ান্ত প্রতিবেদন এখনো তার কাছে পৌঁছায়নি। যাচাই শেষে ফলাফলে কোনো সংশোধন এলে মেধাতালিকায় পরিবর্তন আসতে পারে।

উল্লেখ্য, ‘এ’ ইউনিটের অধীনে বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, প্রকৌশল এবং মেরিন সায়েন্সেস অ্যান্ড ফিশারিজ অনুষদ অন্তর্ভুক্ত। এ ইউনিটে মোট আসন সংখ্যা ১ হাজার ৯৩টি। পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ৭৯ হাজার ৪১০ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৪১ হাজার ৬০৯ জন উত্তীর্ণ এবং ৩৭ হাজার ৮০১ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছেন। সে হিসাবে পাসের হার প্রায় ৫২ শতাংশ।

পূর্ববর্তী নিবন্ধ২০ বছর ৭ মাস পর চট্টগ্রামে আসছেন তারেক রহমান
পরবর্তী নিবন্ধগণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায়সাংবাদিকদের ঐক্যের আহ্বান