সারাদেশে হঠাৎ করে দেখা দেওয়া এলপি গ্যাস সংকটে চরম বিপাকে পড়েছে সাধারণ মানুষ। নগর থেকে গ্রাম, সর্বত্রই রান্নাঘরে নেমে এসেছে স্থবিরতা। নির্ধারিত মূল্যে এলপি গ্যাস পাওয়া দুষ্কর হয়ে উঠেছে, আর যেখানে পাওয়া যাচ্ছে সেখানেও গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। অনেক এলাকায় দোকানে দোকানে ঘুরেও মিলছে না গ্যাস সিলিন্ডার।
কোথাও আবার কৃত্রিম সংকট তৈরি করে মজুদ রেখে বাড়তি দামে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো। অনেক ঘরেই দিনের পর দিন চুলা জ্বলছে না, রান্না বন্ধ থাকায় পরিবার নিয়ে দুশ্চিন্তায় সময় কাটাচ্ছেন গৃহিণীরা।
কতিপয় ব্যবসায়ী সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ৮০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত বেশি দাম আদায় করছে। কেউ কেউ বাধ্য হয়ে বেশি দামে গ্যাস কিনছেন, আবার অনেকেই সামর্থ্য না থাকায় বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে কাঠ, কয়লা কিংবা বাইরের খাবারের ওপর নির্ভর করতে বাধ্য হচ্ছেন। এলপি গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল হোটেল–রেস্তোরাঁসহ ছোট ব্যবসায়ীরাও পড়েছেন বিপাকে। গ্যাস সংকটে অনেক প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম সীমিত করেছে, কোথাও কোথাও বন্ধ রাখতেও হচ্ছে ব্যবসা। এতে কর্মহীনতার আশঙ্কাও বাড়ছে। সংশ্লিষ্ট মহলের নীরব ভূমিকায় ক্ষোভ বাড়ছে জনমনে।
এই সংকট দ্রুত নিরসনে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আলমগীর আলম
যুগ্ন সদস্য সচিব
পটিয়া সচেতন নাগরিক ফোরাম।







