এমপিওভুক্ত স্কুল–কলেজের সব শিক্ষককে বদলির সুযোগ দিয়ে নতুন নীতিমালা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। গতকাল মঙ্গলবার জারি করা এ নীতিমালা অনুযায়ী এখন থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শূন্যপদের চাহিদা বা বিবরণ অনলাইনে প্রকাশ করবে। শূন্যপদের বিপরীতে অধিদপ্তর বদলির আবেদন আহ্বান করবে। এভাবে সমপদে পদ শূন্য থাকা সাপেক্ষে প্রতি বছর প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন গ্রহণ, বদলির আদেশ জারি ও নতুন কর্মস্থলে যোগদান কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। নতুন নীতিমালায় বেসরকারি স্কুল ও কলেজের শিক্ষকরা বদলির সুযোগ পেলেও মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা এখনই সে সুযোগ পাচ্ছেন না।
এর আগে ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর এনটিআরসিএর সুপারিশে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের বদলির সুযোগ দিয়ে নীতিমালা জারি করা হলেও ‘নানা জটিলতায়’ শিক্ষকরা বদলির সুযোগ পাননি। নতুন নীতিমালা হওয়ায় আগের নীতিমালার কার্যক্রম রহিত করা হয়েছে। বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিষয়ভিত্তিক নিবন্ধিত প্রার্থীদের নিয়োগ সুপারিশ করে এনটিআরসিএ। ২০১৬ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ করে সেগুলোতে নিয়োগের সুপারিশ করে আসছে। তার আগে ২০১৫ সাল পর্যন্ত এ নিয়োগ প্রক্রিয়া ছিল কমিটি বা পরিচালনা পর্ষদের হাতে। খবর বিডিনিউজের।
২০১৫ সালের আগে পরিচালনা পর্ষদের সুপারিশে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরা ২০২৪ সালের নীতিমালা অনুযায়ী বদলির সুযোগ না পাওয়ায় তার বিরোধিতা করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। এর ফলে বেসরকারি স্কুল–কলেজের সব শিক্ষকদের বদলির সুযোগ দিয়ে জারি করা হল তৃতীয় নীতিমালা। এর আগের দুইটি নীতিমালাতেই শিক্ষকরা বদলি সুযোগ পাননি। নতুন নীতিমালা জারির দিন থেকেই কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।












