নগরীর কোরবানিগঞ্জ বলুয়ারদিঘির পশ্চিম পাড় এলাকায় এক যুবককে কুপিয়ে হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন করার ঘটনায় এবার মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার নাম মো. সবুজ। তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায়। গত শুক্রবার ভোরে নিজ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নগরীর পাথরঘাটা এলাকা থেকে ঘটনায় ব্যবহৃত রক্তমাখা ধামা উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ৬ এপ্রিল সকালে ২৩ বছর বয়সি যুবক মো. মিনহাজ রিকশাযোগে কর্মস্থলে যাওয়ার সময় কোরবানিগঞ্জ বলুয়ারদিঘির পশ্চিম পাড় এলাকায় কয়েকজন সন্ত্রাসী তার রিকশার গতিরোধ করে। এ সময় আবদুল আউয়াল অপু, সবুজ, তুহিনসহ ৩–৪ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে রিকশা থেকে নামিয়ে দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। হামলার একপর্যায়ে সবুজ মাথায় কোপ দিতে গেলে মিনহাজ হাত দিয়ে ঠেকানোর চেষ্টা করে। এতে তার ডান হাতের কবজির নিচ থেকে হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় ভিকটিমের বোন তানজিনা আক্তার বাদী হয়ে নগরের কোতোয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
সিএমপির উপ–কমিশনার (দক্ষিণ) হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূঁইয়া আজাদীকে বলেন, গ্রেপ্তার পরবর্তী মো. সবুজকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
উল্লেখ্য, এর আগে মামলার অন্যতম আসামি তুহিনকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তার বিরুদ্ধে নগরীর বিভিন্ন থানায় ১৮টি মামলা রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাষ্য মতে, তুহিন একজন কুখ্যাত সন্ত্রাসী।














