এখানে লুকোচুরির কোনো ব্যাপার নাই

কূটনৈতিক ব্রিফিংয়ে সিইসি নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনে যে ধরনের স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে

| সোমবার , ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ at ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনে যে ধরনের ‘স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য’ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি মিশনের কূটনীতিক এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের কাছে তা তুলে ধরেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। গতকাল রোববার সকালে ঢাকার একটি হোটেলে ওই ব্রিফিংয়ে ‘খুব সুন্দর’ আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিইসি। খবর বিডিনিউজের।

সাংবাদিকদের তিনি বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন এবং গণভোটের জন্য আমরা কী কী প্রস্তুতি নিয়েছি, কী কী কাজ করেছি, এটা তাদেরকে আমরা বুঝিয়েছি। প্রতিটি পদক্ষেপ, আমাদের কর্মকাণ্ড পুরোটা আমরা ব্রিফ করেছি। তারা খুবই খুশি। আমরা চাই যে মোস্ট ট্রান্সপারেন্ট একটা ইলেকশন, ক্রেডিবল একটা ইলেকশন; এখানে লুকোচুরির কোনো ব্যাপার নাই, এটা তাদেরকে আমরা বুঝিয়েছি, সেটা তারা সাধুবাদ জানিয়েছে।

ব্রিফিংয়ে কূটনীতিকরা ‘অত্যন্ত খুশি হয়েছেন’ বলে মন্তব্য করে সিইসি বলেন, এবং তারা আস্থাশীল যে ইনশআল্লাহ একটা ক্রেডিবল ইলেকশন আমরা ইনশাল্লাহ উপহার দিতে পারব, নিরাপদ পরিবেশে।

কূটনীতিকদের তরফ থেকে কোনো পরামর্শ এসেছে কী না জানতে চাইলে নাসির উদ্দিন বলেন, উনারা প্রশ্ন করেছেন, কোনো পরামর্শ দেন নাই। উনারা কোয়েশ্চেন করেছিলেন যে, পোস্টাল ভোটের পদ্ধতিটা জানতে চেয়েছেন, উনারা তারপরে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মোতায়েন, কী পরিমাণ লোকজন হবে? কী প্ল্যান? কার অধীনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চলবে। আমরা বুঝিয়েছি, যে এইখানে আমরা নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা ইনশাল্লাহ আমরা করব, যাতে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে সবাই কেন্দ্রে আসতে পারে, ভোটটা দিতে পারে, ভোটটা দিয়ে যাতে ফিরে যেতে পারে। পুলিশের পাশাপাশি তিন বাহিনী, র‌্যাব, বিজিবি এবং আনসারের বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন থাকার কথা ব্রিফিংয়ে তুলে ধরার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ভোটের মাঠে অভিযোগ নিষ্পত্তিতে বিচারিক হাকিমদের নিয়ে তদন্ত সংস্থা গঠনের বিষয়ও কূটনীতিকদের কাছে তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান সিইসি।

নির্বাচনে কোনো দলের উপস্থিতি না থাকার বিষয়ে কূটনীতিকরা জানতে চেয়েছে কী না প্রশ্নে তিনি বলেন, না, এখানে অন্য কোনো প্রশ্ন করে নাই, কেননা আমাদের পারপাস সম্পর্কে উনারা বুঝেছেন। উনারা বুঝেছেন যে, আমাদের যে একটা স্বচ্ছ নিয়ত, স্বচ্ছ উদ্দেশ্য, আমাদের যে ফোকাসটা একটা সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়া। ব্রিফিংয়ের পর ঢাকা ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচন কমিশনে কাজ করা আত্মবিশ্বাসী সহকর্মীরা একটি অসাধারণ ব্রিফিং করেছেন। তাৎপর্যপূর্ণ এই নির্বাচনের প্রস্তুতিতে তারা মাসের পর মাস আমাদের সঙ্গে যে কাজ করেছেন, সেজন্য ধন্যবাদ জানাই।

পূর্ববর্তী নিবন্ধঅবশেষে প্রশস্ত হচ্ছে রাঙামাটি খাগড়াছড়ি সড়ক
পরবর্তী নিবন্ধতারেক রহমানের ‘ফ্যামিলি কার্ডের’ বাস্তবতা!