সময় ও সুযোগ, যে কোনো পরিকল্পনায় বিবেচনা করতে হয়। দুর্যোগ ও আপৎকালীন সময় পরিকল্পনাকে নির্ধারণ করে, যা স্বাভাবিক সময়ের পরিকল্পনা থেকে ভিন্ন হতে বাধ্য। সামপ্রতিক বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটে আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশে অর্থনৈতিক প্রভাব নেতিবাচক হতে পারে– যেমনটি হয়েছিলো কোভিডকালীন সময়ে। সাত–পাঁচ চিন্তা করা আর প্রভাবান্বিত জনগোষ্ঠীর ফিডব্যাক নেয়া যখন সময় এলাউ করে না, তখন তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত দিতে হয় কর্তৃপক্ষকে। এখনকার কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তকেও লঘু চিত্তে গ্রহণ করতে হবে। স্কুল–কলেজে শিক্ষার্থীদের ভৌগোলিক অবস্থান, তাঁদের শ্রেণিগত অবস্থা, ইন্টারনেট ও অনলাইনে সুযোগের সমান সুযোগ নেই তা সত্য, তবে নাই শিক্ষার সুযোগ থেকে, এখনকার আপৎকালীন সুযোগ শিক্ষার ভবিষ্যত অবকাঠামো তৈরির তাৎপর্য নির্মাণে বোধে আনবে কর্তৃপক্ষ, এইটেও ভাবতে হবে।
নিশ্চয় এখন পর্যন্ত, ব্যবহারিক ক্লাস, পরীক্ষা, উপস্থিতি নির্ণয় অনলাইনে কঠিন কাজ। আমরাতো, পেপারলেস সমাজের দিকে ধাবমান, তো সেই আন্দাজটাও তো ধারণায় থাকতে হবে। শিক্ষায় এমনিতে ধনী–গরীবের বৈষম্য আছে, আছে ডিজিটাল ডিভাইডও। এই ধরনের আপৎকালীন ব্যবস্থা সরকারকেও সচেতন করবে ডিজিটাল ডিভাইড কমিয়ে আনতে। এই কারণে, আমাদের সবারই বোধে আসা দরকার, প্রযুক্তির সুযোগ পৌঁছে দেয়া ও সবার জন্য একইরকম শিক্ষার প্রবর্তন করা প্রয়োজন। জ্বালানি সংকট শেষ হলে, শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো সরকার বিবেচনা করবেন, সচেতন নাগরিকরা তাই আশা করেন।
লেখক : উপাচার্য, চট্টগ্রাম বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অফ ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি













