২০০১ সালে রাঙামাটি বিএনপিতে ‘নেতৃত্বের শূন্যতা পূরণে’ দলের চেয়ারপারসান বেগম খালেদা জিয়ার ‘ডাকে’ যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজের চাকরি ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দেন দীপেন দেওয়ান। রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন শেষে আছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ–ধর্মবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে। ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিএনপির মনোনয়নে প্রার্থী হয়ে বিপুল ভোটে জিতেছেন ধানের শীষ প্রতীকে। হলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীও।
প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর পার্বত্য রাঙামাটি আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হন। এরপর ২০১৪ সালের নির্বাচনে দীপংকর জনসংহতি সমিতি সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী ঊষাতন তালুকদারের কাছে হেরে যাওয়ায় প্রতিমন্ত্রী হন বান্দরবান থেকে আওয়ামী লীগের মনোনীত সংসদ সদস্য বীর বাহাদুর উশৈসিং। এরপর টানা দুই মেয়াদে প্রতিমন্ত্রী ও মন্ত্রী থাকার পর ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জিতে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী হন খাগড়াছড়ির কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর দীপেন দেওয়ান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হওয়ার মধ্য দিয়ে দীর্ঘ এক যুগ পর মন্ত্রী পেল পার্বত্য জেলা রাঙামাটির মানুষ। পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের বাবা সুবিমল দেওয়ানও এক সময় বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপদেষ্টা ছিলেন। পারিবারিকভাবেই রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান দীপেন। সুবিমল দেওয়ানের সুবাধে দীপেন দেওয়ানের রাঙামাটি শহরের নিজ পাড়াটি ‘মন্ত্রীপাড়া’ হিসেবে পরিচিত। তবে এবার মন্ত্রী পেল মন্ত্রীপাড়াও।












