একই সংগঠনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ২০১০ সালের ২৩ জুলাই থেকে এক যুগ একত্রে পথ চলা। রাজনৈতিক মাঠে দীর্ঘ এই পথ চলায় সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন সময়ে তাদের মধ্যে মতভেদ, মান-অভিমান ছিল। তবে গতকাল দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সম্মেলনে দুজনের একত্র পথ চলার শেষ কর্মদিবসে সকাল সকাল সম্মেলনস্থল পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে হাজির হন জেলা যুবলীগের সভাপতি আ ম ম টিপু সুলতান চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক পার্থ সারথী চৌধুরী। বসেন পাশাপাশি চেয়ারে।
প্রথমে আসেন সভাপতি। এরপর আসনে সাধারণ সম্পাদক। পার্থ সারথী চৌধুরী এসে টিপু সুলতানের পাশের চেয়ারে বসার পর দুই নেতা স্মৃতিতাড়িত হন। এক পর্যায়ে দুই নেতা আবেগ তাড়িত হয়ে পড়েন। যুবলীগ থেকে বিদায়বেলায় সভাপতি আ ম ম টিপু সুলতান চৌধুরী তার দীর্ঘদিনের সহযোদ্ধা পার্থ সারথীকে বুকে জড়িয়ে অঝোরে কাঁদলেন। এ সময় পার্থ সারথীও টিপু সুলতানকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে দেন। দুই শীর্ষ নেতার এমন আবেগঘন দৃশ্য দেখে সম্মেলনস্থলে উপস্থিত নেতাকর্মীরাও আবেগ তাড়িত হন। এ সময় অনেক নেতাকর্মীর চোখেও জল দেখা গেছে। মূলত বিদায়বেলাটা ছিল হৃদ্যতাপূর্ণ ও আবেগঘন।
উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালে মৌলভী সৈয়দকে সভাপতি ও মোছলেম উদ্দিন আহমদকে সাধারণ সম্পাদক করে দক্ষিণ জেলা যুবলীগের প্রথম কমিটি গঠিত হয়। সর্বশেষ ২০১০ সালের ২৩ জুলাই আ ম ম টিপু সুলতান চৌধুরীকে সভাপতি ও অধ্যাপক পার্থ সারথী চৌধুরীকে সাধারণ সম্পাদক করে কেন্দ্র থেকে দক্ষিণ জেলা যুবলীগের কমিটি ঘোষণা দেওয়া হয়। এই কমিটি ২০১২ সালের ৬ জুলাই ৭১ সদস্যের দক্ষিণ জেলা যুবলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে। এক যুগ পর গতকাল সকালে পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়ে দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সম্মেলন। সম্মেলন উদ্বোধন করেন যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ।












