বিশ্বকাপ টি–২০ ম্যাচ ২০২৬ খেলা হচ্ছে প্রতিবেশী দেশ ভারত ও শ্রীলংকায়। ক্রিকেটকে অনেকের মতো ভালোবাসি বলে খেলা দেখতে বসেছিলাম স্কটল্যান্ড বনাম ওয়েষ্ট ইন্ডিজের। খেলা দেখতে গিয়ে মনের ভিতর একরকম কষ্ট আর হাহাকার শুরু হয়ে গেলো। অথচ এ খেলায় বাংলাদেশ দলের খেলার কথা স্কটল্যন্ড দলের জায়গায়, যেখানে বাংলাদেশ কোয়ালিফাই করে বিশ্বকাপ টি–২০ ম্যাচ ২০২৬ খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিলো। বাংলাদেশের পতাকা দেখা গেলো না মাঠে, বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত গাওয়া হলো না। মনটা একরকম খারাপ হয়ে গেলো। এটি একটি দেশের জন্য কতোটা সম্মানের বিষয় ছিলো। মনের সাথে যুদ্ধে হেরে গিয়ে খেলা দেখা বন্ধ করে দিলাম।
বিশ্বকাপের খেলায় নিরপত্তার অযুহাতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ করা হলো না সরকারের সিদ্ধান্তে। বিশ্বকাপের খেলায় নিরাপত্তার বিষয়টি একটি অযুহাত মাত্র, যেখানে আইসিসির মিটিং এ সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে হেরে যায় বাংলাদেশ। একটি দেশের আভ্যন্তরীণ ক্রিকেট ম্যাচের সাথে বিশ্বকাপকে মিলিয়ে ফেলার ভুলের খেসারত আমাদের বয়ে বেড়াতে হবে কতদিন, জানি না।
খেলার সাথে রাজনীতিকে মিশিয়ে চরম হতাশায় আজ বাংলাদেশের ক্রিকেট প্রেমিক জনগণ ও ক্রিকেট খেলোয়াড়রা। জানি না, খেলোয়াড়েরা কি মনোকষ্টে আছেন, কীভাবে দিন কাটাচ্ছেন? কারণ যারা অনেক পরিশ্রমের মাধ্যমে বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিলো অথচ তারাই আজ খেলতে পারছে না। এই বিশ্বকাপ খেলার মাধ্যমে খেলোয়াড়রা এবং দেশের অর্থ উপার্জনের বিষয়টিও জড়িয়ে আছে। জড়িয়ে আছে খেলোয়াড়দের উন্নতির সোপান, গ্রেডিং, বিশ্বকাপ খেলার আনন্দ আর উদ্দীপনা। বিশ্বকাপ না খেলার হতাশা তাদের কোথায় নিয়ে যাবে, সৃষ্টিকর্তাই জানেন। বাংলাদেশ খেলতে না পারায় দেশের ক্রিকেট প্রেমিক দর্শকগণ আনন্দের সাথে খেলা উপভোগ করা থেকে বঞ্চিত হলো। জানি না বিশ্বকাপ বয়কটের রেশ কোথায় গিয়ে গড়ায় ?











