এক অনবদ্য অনুষ্ঠান

গৌতম কানুনগো | রবিবার , ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ at ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রাম একাডেমি ইতিহাসঐতিহ্য, সংগ্রহসংরক্ষণসহ পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে কবি লেখক সাংবাদিক ও আগামী প্রজন্মকে সচেতন ও উৎসাহিত করে চলেছে। শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতির মাধ্যমে মানুষ নিজেকে খুঁজে পায়, বড় মনের ও মুক্ত বৃদ্ধির প্রকাশ ঘটে। সৃজনশীলতা যতই বাড়বে ততই বাংলার সাহিত্য, ইতিহাস ও ঐতিহ্য সমৃদ্ধ হবে। গত ২১ জানুয়ারি চট্টগ্রাম একাডেমির ফয়েজ নুরনাহার মিলনায়তনে “চট্টগ্রাম একাডেমি ফয়েজ নুরনাহার সাহিত্য পুরস্কার” প্রদান শীর্ষক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। এ বছর কথা সাহিত্যে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশ্বজিৎ চৌধুরীকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। বিশ্বজিৎ চৌধুরী একজন বহুমাত্রিক লেখক, একাধারে তিনি কবি, নাট্যকার, ছড়াকার, কথাসাহিত্যিক এমনকি কলাম লেখকও। কবি হিসেবে তাঁর ব্যাপক পরিচিতি থাকলেও মূলত কথাসাহিত্যই তাঁর প্রধান চর্চিত মাধ্যম। এখানে উল্লেখ্য, গত বছর এ পুরস্কার পেয়েছিলেন আর একজন স্বনামধন্য কথাসাহিত্যিক ড. আকিমুন রহমান। খ্যাতিমান সাহিত্যিক ডঃ আনোয়ারা আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দৈনিক আজাদী সম্পাদক, একুশে পদক প্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব এম. . মালেক। অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম একাডেমির মহাপরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর মিঞা। বিশ্বজিৎ চৌধুরীকে অভিনন্দন জানিয়ে একে একে বক্তব্য রাখেন কবিনাট্যব্যক্তিত্ব শিশির দত্ত, কবি সাংবাদিক ওমর কায়সার, লার্নিং বিশেষজ্ঞ ডঃ বদরুল হুদা খান, অধ্যাপক রীতা দত্ত, প্রাবন্ধিক আমিনুর রশীদ কাদেরী, কবি জিন্নাহ চৌধুরী, কবি শিশুসাহিত্যিক অরুণ শীল, কবি সুলতানা নুরজাহান রোজী এবং এডভোকেট রফিক মিয়া। শিশির দত্ত বলেন বিশ্বজিৎ চৌধুরী একজন বহুমাত্রিক মানুষ। কথা সাহিত্যিক হিসেবে তাঁকে আমি প্রচন্ড ভালোবাসি। তাঁর লেখার আলাদা বৈশিষ্ট্য আছে। অধ্যাপক রীতা দত্ত বলেনতাঁর কবিতার পংক্তি অসাধারণ। সুলতানা নুরজাহান রোজী বলেন তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে বিশ্বজিৎ চৌধুরীকে পুরস্কার দিতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত এবং গর্বিত। সময় বাড়ার সাথে সাথে মিলনায়তনে দর্শক শ্রোতাও বাড়তে থাকে। মিলনায়তনে লেখক, কবি সাহিত্যিকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। অনেককে দাঁড়িয়ে অনুষ্ঠান উপভোগ করতে দেখা যায়। পুরস্কারপ্রাপ্ত গুনীজনের হাতে সম্মাননা স্মারক, নগদ সম্মানি এবং সনদপত্র তুলে দেন প্রধান অতিথি সহ মঞ্চে উপবিষ্ট অতিথিরা। প্রধান অতিথি এম. . মালেক বলেন এই পুরস্কার প্রবর্তন করে চট্টগ্রাম একাডেমি এবং ফয়েজ নুরনাহার পরিবারের সদস্যরা মহৎ কাজ করেছেন আমি তাঁদেরকে ধন্যবাদ জানাই। সভাপতির বক্তব্যে ডঃ আনোয়ারা আলম বলেন বিশ্বজিৎ চৌধুরী আমার একজন প্রিয় লেখক, তিনি অপ্রিয় সত্যগুলো তুলে ধরেন। জয় হউক সাহিত্যের। জয়তু চট্টগ্রাম একাডেমি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধচারপাশের মানুষের কথা আমাদের সবার ভাবতে হবে
পরবর্তী নিবন্ধদেশ হতে দেশান্তরে