ভারতে কংগ্রেসের সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী গত বৃহস্পতিবার সোশাল মিডিয়া সাইট ইনস্টাগ্রামে অ্যাকাউন্ট খুলে চমক দিয়েছিলেন। আর শনিবার সকালে আরেক সোশাল মিডিয়া প্লাটফর্ম এক্সেও পা রাখলেন তিনি। খবর বিডিনিউজের।
এক্সে প্রথম পোস্টেই সোনিয়া তার আসন্ন আত্মজীবনী বিলঙ্গিং : আ জার্নি অফ লাভ–এর ঝলক শেয়ার করেছেন। একটি ভিডিও পোস্টে তিনি ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর সঙ্গে তার প্রথম দেখার স্মৃতিচারণ করেছেন। বইয়ের পাতা ওল্টাতে ওল্টাতে রাজীবের সঙ্গে সাক্ষতের প্রথম দিনের কথা, আলাপের মুহূর্তের কথা মুখে বলেছেন সোনিয়া। তিনি জানিয়েছেন, কেমব্রিজে একটি ছোট গ্রিক রেস্তোরাঁ, আর এক সাক্ষাৎ বদলে দিয়েছে তার জীবন। ইংল্যান্ডে ইতালীয় খাবারের খোঁজ করতে গিয়ে সোনিয়া গান্ধী কীভাবে ওই গ্রিক রেস্তোরাঁর সন্ধান পান, সেই গল্পও শুনিয়েছেন।
রেস্তোঁরাতে প্রথম দেখা : সোনিয়া বলেন, এক রেস্তোরাঁর খোঁজ করছিলেন তিনি, কিছু ইতালিয়ান খাবারের জন্য। আর তা করতে গিয়ে খুঁজে পান এক গ্রিক রেস্তোরাঁ। ইউরোপীয় এবং ভারতীয় ছাত্রছাত্রীদের কাছে ওই রেস্তোরাঁটি বেশ জনপ্রিয় ছিল। আর সেখানেই রাজীব গান্ধীর সঙ্গে তার প্রথম দেখা হয়। এক বন্ধুর মাধ্যমে আলাপ। তারপর ধীরে ধীরে বন্ধু হয়ে ওঠেন রাজীব–সোনিয়া। ভিডিওতে সোনিয়া বলেছেন, প্রথম দেখাতেই তার মনে হয়েছিল, রাজীব সেই মানুষ যাকে ভালবেসে থেকে যেতে পারবেন তিনি।
প্রেমের সেই দিনগুলো : বন্ধু হয়ে ওঠার পর একসঙ্গে বিভিন্ন পার্টিতে যাওয়া বা ঘুরতে যাওয়া শুরু করেছিলেন তারা। সোনিয়ার কথায়, আমার মনে আছে, এক কমন বন্ধু আমাদের আলাপ করিয়ে দিয়েছিল। তারপর আমরা বন্ধু হয়ে যাই। বন্ধুদের সঙ্গে পার্টিতে যাওয়া, ঘুরতে যাওয়া শুরু হয়। আমরা একটা ভ্যালেন্টাইনস ডে পার্টিতেও গিয়েছিলাম, যেখানে অনেক ছাত্রছাত্রী ছিল।
প্রথম দেখায় মুগ্ধ সোনিয়া : রাজীব গান্ধীকে প্রথমবার দেখে কেমন লেগেছিল, সেটাও জানিয়েছেন সোনিয়া। তিনি বলেন, রাজীবের শান্ত স্বভাব তাকে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করেছিল। সোনিয়া বলেন, তাকে দেখতে খুব শান্তশিষ্ট লাগত। এমনিতে সে খুব সুদর্শন ছিল। কিন্তু ওর ওই শান্ত স্বভাবটাই ফুটে উঠত। এই বিষয়টা আমার মন ছুঁয়ে গিয়েছিল। প্রথম দেখার সেই মুহূর্তটা আমি জীবনেও ভুলব না। ১৯৬৮ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাজীব গান্ধীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সোনিয়া গান্ধী।











