চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ভাইস–চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া মহোদয় বলেছেন, একুশ মানেই আত্মসম্মান, একুশ মানেই আত্মত্যাগের প্রেরণা, একুশ মানেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান। ভাষার জন্য যে রক্ত ঝরেছে, সেই ভাষার মর্যাদা রক্ষা ও বিকাশ সাধনই হোক আমাদের অঙ্গীকার। ভাষার এই জয়যাত্রা হোক চিরন্তন ও অবিনাশী। তিনি আরও বলেন, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় বাংলা ভাষাকে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উচ্চশিক্ষার কার্যকর মাধ্যম হিসেবে সমৃদ্ধ করতে হবে। গবেষণা, উদ্ভাবন, জ্ঞান–বিজ্ঞান ও সৃজনশীল চর্চায় বাংলার ব্যবহার সম্প্রসারণ প্রয়োজন। বাংলা ভাষাকে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, শিল্প–সাহিত্য ও বাণিজ্যের ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করাই হবে একুশের চেতনার যথার্থ বাস্তবায়ন। সর্বস্তরে শুদ্ধ ও প্রমিত বাংলার চর্চা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়েই আমরা ভাষা শহিদদের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারি।গত শনিবার চুয়েটের একাডেমিক কাউন্সিল কক্ষে আয়োজিত ‘শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ এর আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চুয়েটের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুল আলম। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন তড়িৎ ও কম্পিউটার প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন, পুর ও পরিবেশ কৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আসিফুল হক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু কাউছার, স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রাশিদুল হাসান। এছাড়া শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ, কর্মকর্তা সমিতির পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ ইকরাম, কর্মচারী সমিতির পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রিয়তোষ চক্রবর্ত্তী, ছাত্রদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন পুরকৌশল বিভাগের ২০ ব্যাচের শিক্ষার্থী আসহাব লাবিব। এর আগে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে দিনের প্রথম প্রহরে সকাল ৮.২০টায় ক্যাম্পাসের উত্তর গোল চত্বর হতে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে প্রভাতফেরীর মাধ্যমে দিনব্যাপী কর্মসূচির শুরু হয়।
প্রভাতফেরীতে নেতৃত্ব দেন চুয়েটের ভাইস–চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া। পরে ভাষা শহিদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।










