একাত্তরে যারা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নির্যাতন করেছিল তারাই আবার নবরূপে ফিরে এসেছে : সালাহউদ্দিন

পেকুয়ায় হিন্দু-বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সাথে মতবিনিময়

চকরিয়া ও পেকুয়া প্রতিনিধি | শনিবার , ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ at ৫:১৫ পূর্বাহ্ণ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, একাত্তরে যারা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নির্যাতন করেছিল তারাই আবার নবরূপে ফিরে এসে নির্বাচন করছে। তাদের হাতে এদেশের সকল নাগরিক নিরাপদ কীনা দেশবাসীর কাছে প্রশ্ন রাখেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে একটি ধর্মভিত্তিক দলের হাতে এদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাইবোনদের সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হতে হয়েছিল, ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছিল, যা সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাইবোনদের পূর্ব পুরুষেরা জানেন। যারাই স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেনি কিংবা স্বাধীনতা চায়নি তারাই সনাতনী ভাইবোনদের এমন নির্যাতন করেছিল।

কঙবাজার১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ গতকাল শুক্রবার সকালে তার নির্বাচনী এলাকা পেকুয়া উপজেলা সদরের বিশ্বাস পাড়ায় হিন্দুবৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় পেকুয়া উপজেলার বিশ্বাস পাড়া কেন্দ্রীয় দুর্গাপূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক চন্দনময় বিশ্বাস তিলকের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য দেন, পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি বাহাদুর শাহ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামরান জাদিদ মুকুট, বিশ্বাস পাড়া কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দিরের সভাপতি শিমুল বিশ্বাস, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সুমন বিশ্বাস, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অংতোয়াইচিং রাখাইন, উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক রমেশ বিশ্বাস, বারবাকিয়া লোকনাথ মন্দিরের পরিচালনা কমিটির সভাপতি রিপন কান্তি নাথ, বারবাকিয়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরের সভাপতি পরিতোষ নাথ, শিলখালী বিষ্ণু মন্দিরের সভাপতি মাস্টার অনিল কান্তি শীলসহ আরো অনেকে।

এদিন বিকেলে পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সালাহউদ্দিন আহমদ। এসময় তিনি বলেন, বিএনপির শাসন আমলে এদেশের সকল ধর্মের মানুষ নিরাপদ ছিল। আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এদেশের সকল ধর্মের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন। তিনি এদেশের সকল মানুষকে নিয়ে যারাই এই ভূখণ্ডে বসবাস করেন তাদের সকলকে বাংলাদেশি হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন। আমরাও কোনো ধরনের জাতি বিভক্তি, ধর্মীয় বিভক্তি কিংবা বর্ণ বিভক্তি চাই না, আমরা সবাই মিলে বাংলাদেশি হিসেবে বসবাস করতে চাই। বারবাকিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাস্টার ইউনুছের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, কঙবাজার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামীম আরা স্বপ্না, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম, জেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক আলী হাসান চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি বাহাদুর শাহ, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসাইন ও ছাত্রদলের আহ্বায়ক নাঈমুর রহমান হৃদয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাফায়েত আজিজ রাজু, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামরান জাদিদ মুকুট, মহিলা দলের সভানেত্রী সাবিনা ইয়াসমিন জিনু, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আহসান উল্লাহ, কৃষক আবু ছিদ্দিক রনি প্রমুখ।

পূর্ববর্তী নিবন্ধলোহাগাড়ায় নারী ও শিশুসহ ৪৫ রোহিঙ্গা আটক
পরবর্তী নিবন্ধনাসিরাবাদে কনকর্ড মুইন স্কয়ার শপিং মল উদ্বোধন