একটি ফ্যান ও দুটি বাতিতে নভেম্বরে বিদ্যুৎ বিল ৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকা !

মোহাম্মদ জিপন উদ্দিন, ফটিকছড়ি | রবিবার , ৩০ নভেম্বর, ২০২৫ at ৮:৩১ অপরাহ্ণ

একটি ফ্যান ও ২টি বাতির আলোয় দিন-রাত পার। এতেই বিল এসেছে তিন লাখ পঞ্চান্ন হাজার টাকা। এমন ভুতুড়ে ঘটনায় গ্রাহকের চোখ চড়কগাছ। সম্প্রতি বিলের কাগজ হাতে পেয়ে ব্যাংকে বিদুৎ বিল দিতে যান চট্টগ্রাম ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার দৌলতপুর গ্রামের মোহাম্মদ ওসমান।

তিনি ব্যাংকে বিলের কপিটি দিলে ব্যাংকের ক্যাশিয়ার বিলের টাকার পরিমাণ বলার পর গ্রাহক ওসমানের চোখ কপালে উঠে।

তাতে তিনি দেখেন, নভেম্বর মাসে তার বিদ্যুৎ বিল এসেছে ৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। এ নিয়ে সর্বত্র আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। তবে পল্লী বিদ্যুতের অফিস বলছে, কিলোওয়াট-বেশি লিখায় ডিমান্ড চার্জ বেশি চলে আসছে।

ভুক্তভোগী মোহাম্মদ ওসমান বলেন, ‘আমি ২টি বাতি ও একটি ফ্যান ব্যবহার করি। ছোট একটা দোকানে ব্যবসা করে জীবন চালাই। ব্যাংকে বিদ্যুৎ বিল দিতে গিয়ে আমি এই বিল দেখে অবাক হয়ে যায়।’

চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর অধীন নাজিরহাট জোনাল অফিসের এজিএম মাহামুদ বলেন- নাজিরহাট সাব-জোনাল অফিসের আওতায় প্রায় ৩০ হাজার গ্রাহক রয়েছে। সব বিল প্রস্তুত করে মাত্র দু’জন। ভুলবশত কিলোওয়াট- বেশি লিখায় ডিমান্ড চার্জ বেশি চলে আসছে। অভিযোগ পাওয়ায় পর অফিসে এসে কনজুমার বিষয়টি সমাধান করে নিয়ে গিয়েছেন। উনার মূলত বিল এসছে ১৬০০ টাকা থেকে কিছু বেশি।

এদিকে পল্লী বিদ্যুৎ এর এমন ভুল মেনে নিতে পারছেনা সচেতন মহল। অনেকে বলছেন- ৩ লাখ না লিখে ৩ হাজার লিখলে ভুলটা হয়তো ধরা পড়তো না। তখন ১৬০০ টাকার বিল ৩০০০ হাজার দিতে হতো। এছাড়াও বিভিন্ন সময় দিগুণ বা বিল বেশি আসলে অফিসে অভিযোগ নিয়ে গেলে পল্লী বিদ্যুৎ অফিস বিভিন্ন অজুহাত দেখায়।

পূর্ববর্তী নিবন্ধতারেক রহমান দেশে ফিরবেন কবে, জরুরি সংবাদ সম্মেলনে জানালেন রিজভী
পরবর্তী নিবন্ধএনসিপি ছাড়ার ঘোষণা দিলেন রাঙামাটির প্রধান সমন্বয়কারী