এএমআর মোকাবিলায় অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে : উপাচার্য

সিভাসুতে বিশ্ব অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স সচেতনতা সপ্তাহ উদযাপন

| বুধবার , ১৯ নভেম্বর, ২০২৫ at ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ

বিশ্ব অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) সচেতনতা সপ্তাহ উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার সিভাসুতে আয়োজন করা হয়েছে নানা কর্মসূচি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিওলজি, বায়োকেমিস্ট্রি ও ফার্মাকোলজি বিভাগের উদ্যোগে এসব কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

বিশ্ব এএমআর সচেতনতা সপ্তাহের এবারের প্রতিপাদ্য হলো ‘Act Now: Protect Our Present, Secure Our। প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বিষয়ে সচেতনতামূলক শোভাযাত্রার মাধ্যমে শুরু হয় কর্মসূচি। উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমানের নেতৃত্বে শোভাযাত্রায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অংশগ্রহণকারীরা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ড্রাগের অপব্যবহার রোধ ও সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।

এরপর সিভাসু অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় টেকনিক্যাল সেশন। টেকনিক্যাল সেশনে প্রেজেন্টেশন দেন এএমআর প্রজেক্ট অফিসার ড. পন্ডপান সুওয়ানথাদা, ডা. মো. হাবিবুর স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রাশেদুল আলম।

শেষে অনুষ্ঠিত হয় প্যানেল আলোচনা। প্রফেসর ড. মো. সোহেল আল ফারুকের সঞ্চালনায় প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন প্রফেসর ড. এস. কে. এম. আজিজুল ইসলাম, চবি প্রফেসর ড. আদনান মান্নান, আইআইইউসির ফার্মাসি বিভাগের কাজী আশফাক আহমেদ চৌধুরী, ডা. মো. শওকত এমরান, ডা. নাবিল ফারাবি এবং ডা. মো, নুরুল ইসলাম শাওন। বক্তারা এএমআরকে বৈশ্বিক স্বাস্থ্য নিরাপত্তার বড় হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করে নীতি নির্ধারণ, গবেষণা, প্রশিক্ষণ, সঠিক প্রেসক্রিপশন ও জনসচেতনতার সমন্বিত প্রয়াস জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ দেবনাথ, . অনিন্দ্য কুমার নাথ, প্রফেসর ড. . কে. এম. সাইফুদ্দিন,প্রফেসর ড. মো. আহসানুল হক এবং ইয়ন গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোমিন উদ দৌলা। সভাপতিত্ব করেন প্রফেসর ড. আমীর হোসেন সৈকত।

উপাচার্য বলেন, ‘অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ড্রাগের অপব্যবহার ও অতিরিক্ত ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে এখনই দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে হবে। অ্যান্টিবায়োটিকের যুক্তিসঙ্গত ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, ভালো বায়োসিকিউরিটি প্র্যাকটিস, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নীতিমালা অনুসরণএসব বিষয় মাঠ পর্যায়ে প্রয়োগ করতে পারলেই আমরা এএমআর নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করতে পারবো। এছাড়া, এএমআর বিষয়ক সচেতনতা সৃষ্টিতে শিক্ষার্থীদের সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করতে সপ্তাহব্যাপী ভিডিও প্রতিযোগিতা, পোস্টার ও কার্টুন প্রদর্শনী, এক্সটেম্পোর বক্তৃতা এবং কুইজ প্রতিযোগিতা ও বিজয়ীদের বাছাই করে পুরস্কৃত করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধঅ্যারোস্পেস সায়েন্সে বাংলাদেশের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে
পরবর্তী নিবন্ধআফগানিস্তানকে হারিয়ে সেমিতে এক পা বাংলাদেশের