এই দিনে

| রবিবার , ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ at ৮:০৮ পূর্বাহ্ণ

শ্রীলঙ্কার জাতীয় দিবস। বিশ্ব ক্যান্সার দিবস।

আন্তর্জাতিক মানব ভ্রাতৃত্ব দিবস।

১৪৯৮ ইতালীয় চিত্রশিল্পী আন্তোনিও পলাউলো–র মৃত্যু।

১৬৮৮ ফরাসি নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক পিয়ের কার্লে দ্য শাঁব্‌লেঁ দ্য মারিভো–র জন্ম।

১৭৪০ সুইডেনের গীতিকার কার্ল মিচেল বেলম্যান–এর জন্ম।

১৭৮৭ ইতালীয় চিত্রশিল্পী পোম্পিও জিরোলামো বাতোনি–র মৃত্যু।

১৭৯৭ ইকুয়েডরে ভূমিকম্পে চল্লিশ হাজার লোকের মৃত্যু হয়।

১৮৮১ স্কটিশ লেখক ও ঐতিহাসিক টমাস কার্লাইল–এর মৃত্যু।

১৮৮১ ফরাসি চিত্রশিল্পী ফার্না লাঝা–র জন্ম।

১৮৯২ ইতালীয় নাট্যকার উগো বেত্তি–র জন্ম।

১৯০০ ফরাসি কবি ও ঔপন্যাসিক জাক প্রেভের–এর জন্ম।

১৯০৯ কবি ও সমালোচক সঞ্জয় ভট্টাচার্যের জন্ম।

১৯১২ কবি ও নাট্যকার মনোমোহন বসুর মৃত্যু

১৯১৭ পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের জন্ম।

১৯১৮ সাহিত্যিক নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্ম।

১৯২৮ নোবেলজয়ী (১৯০২) ওলন্দাজ পদার্থবিদ আন্তন লোরেনৎস–এর মৃত্যু।

১৯৩৫ রাজশাহী কারাগারে বিপ্লবী ভবানী ভট্টাচার্যের ফাসি কার্যকর হয়।

১৯৩৯ মার্কিন ভাষাতাত্ত্বিক ও নৃতাত্ত্বিক এডওয়ার্ড সাপির–এর মুত্যু।

১৯৪৫ সোভিয়েত ইউনিয়ন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রপ্রধানরা ইয়াল্টা সম্মেলনে মিলিত হন।

১৯৪৮ শ্রীলঙ্কা (সাবেক সিলোন) স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৫৭ মেস্কিকোর শিল্পি ও লেখক মিগেল কোভারুবিয়াস–এর মৃত্যু।

১৯৬৯ কবি ও সমালোচক সঞ্জয় ভট্টাচার্যের মৃত্যু।

১৯৭২ বাংলাদেশ বিমানের প্রথম ফ্লাইট ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে যাত্রা করে।

১৯৭৪ সংগীতশিল্পী অনাদিকুমার দস্তিদার–এর মৃত্যু।

১৯৭৪ বিজ্ঞানাচার্য সত্যেন্দ্রনাথ বসুর মৃত্যু।

১৯৭৬ গুয়াতেমালায় ভূমিকম্পের তেইশ হাজার লোকের মৃত্যু হয়।

১৯৯০ লেখিকা মৈত্রেয়ী দেবীর মৃত্যু।

১৯৯১ চিত্রশিল্পী ও সাহিত্যিক দেবব্রত মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু।

১৯৯৩ কবি অনুবাদক, শিক্ষাবিদ সানাউল হক–এর মৃত্যু।

১৯৯৭ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা–উপাচার্য আজিজুর রহমান মল্লিকের মৃত্যু।

১৯৯৮ চলচ্চিত্র কৌতুকাভিনেতা রবি ঘোষের মৃত্যু।

২০০২ বাংলাদেশ সরকার এসিড নিক্ষেপের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নির্ধারণ করে।

২০০৪ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক চালু হয়।

পূর্ববর্তী নিবন্ধশহর পরিচ্ছন্ন রাখতে নাগরিকদেরও দায়িত্ব রয়েছে, তা পালন করা জরুরি
পরবর্তী নিবন্ধপলোগ্রাউন্ড মাঠে মেলার হামলা বন্ধ করা হোক