ঋণ খেলাপিরা সংসদে গেলে, ঋণ মেরে দেওয়ার আইন বানাবে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। কুমিল্লা–৪ আসনের ১০ দলীয় জোটের এই প্রার্থী বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে আমরা নতুন কিছু প্রত্যাশা করেছিলাম। কিন্তু আমরা দেখলাম ঋণ খেলাপিদের মনোনয়ন দিতে। এই ঋণ খেলাপিদেরকে সংসদে পাঠিয়ে আসলে তারা জনগণকে কী বার্তা দিতে চায়, সেটা আমাদের বোধগম্য নয়। যারা জনগণের টাকা মেরে দিচ্ছে, যারা ট্যাক্সের টাকা মেরে দিচ্ছে, তারা সংসদে গিয়ে মূলত তাদের এই ঋণ যেন না দিতে হয়, সেই বন্দোবস্ত তারা করবে। সংসদ সদস্য হয়ে তারা যেন ঋণটাকে মেরে দিতে পারে, এই ধরনের আইন বানাবে। সেজন্য ব্যালটের মধ্য দিয়ে ঋণখেলাপিদের ‘না’ বলতে হবে। খবর বিডিনিউজের।
গতকাল বুধবার দুপুরে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ৬ নম্বর ফতেহাবাদ ইউনিয়নের জয়পুর চাঁন মিয়া সুপার মার্কেটে ওসমান হাদির রুহের মাগফেরাত কামনা করে মিলাদ ও দোয়ার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন। হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আমাদের দেশে ভারতীয়রা গুণ্ডামি চালিয়েছিল। ভারত থেকে বসে ঠিক করে দিয়েছে, আমাদের দেশটা কে চালাবে। বিভিন্ন ব্যাংকের মত এজেন্ট দিয়েছে। যাকে এজেন্ট দেওয়া হয়েছিল, সেই এজেন্ট মালিকের কথামত দেশ চালিয়েছিল। যখন পারে নাই, তখন এজেন্টকে মালিক সরিয়ে নিয়ে গেছে।
ভারতের গুণ্ডামির সঙ্গে ওসমান হাদী আপস করেননি মন্তব্য করে এনসিপি নেতা বলেন, মানুষ মরার আগে ওছিয়ত করে। হাদী ভাইও মরার আগে ওছিয়ত করেছিলেন, তারে মাইরা ফেললেও দুঃখ নাই। মৃত্যুর বিচারটা যেন নিশ্চিত হয়। কিন্তু দুঃখজনক বিষয়, হাদী ভাইয়ের মৃত্যু তিন সপ্তাহ পেরিয়ে চার সপ্তাহে পদার্পণ করলেও এখন পর্যন্ত বিচার নিশ্চিত করতে পারি নাই।
‘আগ্রাসনবিরোধী পদযাত্রা’র অংশ হিসেবে ফতেহাবাদ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন তিনি। এ সময় জামায়াত ও এনসিপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন।











